হাকীম মাওলানা আশরাফ আলীহাকীম মাওলানা আশরাফ আলী 📞 ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২

শরবত এজাজ — ঐতিহ্যবাহী ইউনানি হৃদ-টনিক শরবত

🥤 শরবত (তরল ঔষধ)📜 ইউনানি ফর্মুলা

হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা, ধড়ফড়ানি ও মানসিক অস্থিরতায় ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত ইউনানি শরবত — গাওজবান, বেহিদানা ও সন্দলসহ প্রাকৃতিক উপাদানে প্রস্তুত।

শরবত এজাজ ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্রের একটি সুপরিচিত ও দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত মিশ্র ভেষজ ফর্মুলা, যা প্রধানত হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা, মানসিক অস্থিরতা, ধড়ফড়ানি এবং দুশ্চিন্তাজনিত অস্বস্তি প্রশমনে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইউনানি ফর্মুলারি ও প্রাচীন কারাবাদিন/বায়াজ গ্রন্থাদিতে বর্ণিত নীতি অনুসরণ করে এই শরবত তৈরি হয় গাওজবান, বেহিদানা, তুখম-এ-কাহু, সন্দল সহ একাধিক শীতলকারী ও হৃদ-টনিক উপাদান দিয়ে।

"শরবত" ডোজ-ফর্মটি সহজপাচ্য তরল আকারে থাকায় শিশু থেকে বয়স্ক — সকল বয়সের রোগীর জন্য সেবন করা তুলনামূলক সহজ। ঐতিহ্যগতভাবে এটি হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করা, মনকে প্রফুল্লিত রাখা এবং শরীরের অতিরিক্ত উষ্ণতা প্রশমনে ব্যবহৃত হয়। হাকীম মাওলানা আশরাফ আলী-র দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে এই ফর্মুলা প্রস্তুত ও সরবরাহ করা হয়ে থাকে, যদিও এটি আধুনিক চিকিৎসার বিকল্প নয় বরং সহায়ক হিসেবে বিবেচিত।

প্রধান উপাদান

কোন কোন রোগে উপকারী

শরবত এজাজ ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্রে প্রধানত হৃদযন্ত্র সম্পর্কিত দুর্বলতা ও মানসিক অস্থিরতাজনিত উপসর্গে ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি কোনো নির্দিষ্ট রোগের নিশ্চিত নিরাময় নয়, বরং সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

প্রধান ব্যবহারক্ষেত্র

ইউনানি মতে, হৃদযন্ত্র (কলব) মানুষের প্রাণশক্তির কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়। যখন হৃদযন্ত্রে দুর্বলতা বা অতিরিক্ত উষ্ণতা দেখা দেয়, তখন ধড়ফড়ানি, অস্থিরতা ও ঘুমের ব্যাঘাতের মতো উপসর্গ প্রকাশ পেতে পারে। শরবত এজাজ এই অবস্থায় শীতলকারী ও হৃদ-বলবর্ধক উপাদানের সমন্বয়ে প্রস্তুত করা হয় যাতে শরীর স্বাভাবিক ভারসাম্যের দিকে ফিরে যেতে সহায়তা পায়।

কীভাবে কাজ করে

ইউনানি চিকিৎসাদর্শন অনুযায়ী প্রতিটি রোগের মূলে থাকে শরীরের চারটি মৌলিক রস (আখলাত) — দম, বলগম, সফরা ও সওদার ভারসাম্যহীনতা। শরবত এজাজের উপাদানগুলো মূলত মিজাজে বারিদ (শীতল) ও রতুব (আর্দ্র) প্রকৃতির, যা হৃদযন্ত্রের অতিরিক্ত হারারত (উষ্ণতা) প্রশমন করে ভারসাম্য পুনঃস্থাপনে সহায়তা করে বলে প্রথাগতভাবে বিশ্বাস করা হয়।

উপাদানভিত্তিক কার্যপ্রণালী

এই উপাদানগুলো একত্রে মিশ্রিত হয়ে এক সুষম শরবত তৈরি করে, যা সহজপাচ্য ও দ্রুত শোষণযোগ্য তরল আকারে শরীরে কাজ করে। তবে এই ব্যাখ্যা ঐতিহ্যবাহী ইউনানি দর্শনের আলোকে দেওয়া হয়েছে, আধুনিক ক্লিনিক্যাল গবেষণার নিশ্চয়তা হিসেবে নয়।

সেবনবিধি ও মাত্রা

শরবত এজাজ সেবনের সঠিক মাত্রা ও নিয়ম রোগীর বয়স, শারীরিক অবস্থা ও উপসর্গের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে। নিচে সাধারণভাবে প্রচলিত নির্দেশনা দেওয়া হলো, তবে সেবনের আগে অভিজ্ঞ হাকীম বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

প্রচলিত মাত্রা

ভালো ফলাফলের জন্য নিয়মিত ও নির্দিষ্ট সময়ে সেবন করা গুরুত্বপূর্ণ। সেবনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম, মানসিক চাপমুক্ত জীবনযাপন ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখলে ফলাফল আরও ভালো হতে পারে বলে ঐতিহ্যগতভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়। কোনো অবস্থাতেই নিজে থেকে মাত্রা বাড়ানো উচিত নয়।

সতর্কতা ও সংরক্ষণ

শরবত এজাজ সাধারণত নিরাপদ ভেষজ উপাদানে প্রস্তুত হলেও কিছু ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। এটি কোনো রোগের নিশ্চিত নিরাময়কারী ঔষধ নয় — ঐতিহ্যগতভাবে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

সতর্কতাসমূহ

সংরক্ষণ পদ্ধতি

শরবত এজাজ ঠান্ডা, শুষ্ক ও সরাসরি সূর্যালোকমুক্ত স্থানে বোতলের মুখ ভালোভাবে আটকে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতিবার ব্যবহারের পর ঢাকনা শক্ত করে বন্ধ করুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। বোতলে রঙ, গন্ধ বা স্বাদে কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে তা আর সেবন করবেন না। আরও তথ্য বা পরামর্শের জন্য হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসা

শরবত এজাজ কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
শরবত এজাজ ঐতিহ্যগতভাবে হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা, ধড়ফড়ানি, মানসিক অস্থিরতা ও দুশ্চিন্তাজনিত অস্বস্তি প্রশমনে ব্যবহৃত একটি ইউনানি ফর্মুলা। এটি রোগ নিরাময়ের গ্যারান্টিযুক্ত ঔষধ নয়, বরং সহায়ক হিসেবে বহু বছর ধরে প্রচলিত।
শরবত এজাজ কি খালি পেটে খাওয়া যায়?
সাধারণত খাবারের পরে সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সেবন করাই প্রথাগত নিয়ম। খালি পেটে সেবনে কারও কারও অস্বস্তি হতে পারে বলে হাকীম/চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা উচিত।
ডায়াবেটিস রোগীরা কি শরবত এজাজ খেতে পারবেন?
শরবত সাধারণত চিনি বা মিছরিযুক্ত হয় বলে ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রয়োজনে বিকল্প ডোজ-ফর্ম বিবেচনা করা যেতে পারে।
শরবত এজাজ কতদিন সেবন করা যায়?
সাধারণত ৪-৬ সপ্তাহ ধরে নিয়মিত সেবনের পর ফলাফল অনুযায়ী চিকিৎসক দীর্ঘমেয়াদি সেবনের পরামর্শ দিতে পারেন। নিজে থেকে দীর্ঘদিন একটানা সেবন না করাই ভালো।
শরবত এজাজ কি গর্ভবতী মহিলারা সেবন করতে পারবেন?
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে যেকোনো ভেষজ বা ইউনানি ঔষধ সেবনের আগে যোগ্য চিকিৎসক বা হাকীমের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক, কারণ এই অবস্থায় শরীরের প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে।
শরবত এজাজ কোথায় সংরক্ষণ করতে হয়?
ঠান্ডা, শুষ্ক ও আলোহীন স্থানে বোতলের মুখ ভালোভাবে বন্ধ করে সংরক্ষণ করতে হবে। ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন নেই, তবে অতিরিক্ত গরম স্থান এড়িয়ে চলতে হবে।

পরামর্শ নিন

শরবত এজাজ বা এ ধরনের ইউনানি ফর্মুলা সম্পর্কে জানতে ও সঠিক পণ্য বেছে নিতে এখনই কল করুন হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ নম্বরে।

⚠️ দ্রষ্টব্য: এই পেজের তথ্য সচেতনতামূলক ও ঐতিহ্যবাহী ইউনানি ফর্মুলা-জ্ঞানভিত্তিক। উপাদান ও মাত্রা প্রস্তুতকারক ও গ্রন্থভেদে সামান্য ভিন্ন হতে পারে। এটি রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়; সেবনের আগে অভিজ্ঞ হাকীম বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ফলাফল ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

অর্ডার করার নিয়ম

আমাদের ওয়েবসাইটে কোনো অর্ডার ফর্ম বা কল রিকোয়েস্ট নেই — শুধুমাত্র রিসেপশন হটলাইনে কল করে অর্ডার করুন।

  1. রিসেপশনে কল করুনঅর্ডার বা পরামর্শের জন্য আমাদের হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ নম্বরে কল করুন।
  2. সহকারী হাকিম নির্ধারণরিসেপশন থেকে আপনার সাথে কথা বলার জন্য একজন সহকারী হাকিমকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
  3. পরামর্শ ও অর্ডারসহকারী হাকিমের সাথে বিস্তারিত কথা বলে পরামর্শ নিয়ে অর্ডার চূড়ান্ত করবেন।
  4. হটলাইন থেকে কনফার্ম০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ থেকে কল ও মেসেজ দিয়ে আপনার অর্ডার কনফার্ম করা হবে।

⚠ হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ থেকে কল ও মেসেজ না এলে অর্ডারটি ভুয়া। সারাদেশে আমাদের বহু ডিলার ও চেম্বার — যেখান থেকেই অর্ডার করুন, কনফার্ম আসে একমাত্র হটলাইন থেকেই।

📞 রিসেপশন হটলাইনে কল করুন — ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২