গ্যাস্ট্রিক, বদহজম, পেট ফাঁপা, অরুচি, অনিদ্রা, ক্লান্তি — এই সবগুলোর গোড়ায় একটাই কারণ, দুর্বল লিভার। লিভার ঠিক হলে পেটের রোগগুলো এমনিতেই বিদায় নেয়।
যেগুলো আপনার সাথে মেলে, সেগুলোতে টিক দিন — নিচে ফলাফল দেখুন।
লিডার ঠিক থাকলে সব কর্মীও ঠিক থাকে। লিডার দুর্বল হলে গোটা প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে।
হৃদপিণ্ড করে একটামাত্র কাজ — রক্ত পাম্প করা। আর লিভার একাই সামলায় পাঁচ শতাধিক কাজ: খাবার হজম, রক্ত পরিশোধন, পুষ্টি সঞ্চয়, বিষাক্ত পদার্থ বের করা, পিত্তরস তৈরি, হরমোনের ভারসাম্য।
দিনে-রাতে চব্বিশ ঘণ্টা, বিনা বেতনে, বিনা ছুটিতে।
আল্লাহ তায়ালা এমনি এমনি লিভারকে এত বড় বানাননি। মস্তিষ্কের পরেই শরীরের সবচেয়ে বড় ও ভারী অঙ্গ এটি — প্রায় দেড় কেজি ওজন। এত বড় একটা কারখানা শরীরের ভেতরে বসানো হয়েছে, নিশ্চয়ই বিরাট কাজের জন্যই।
প্রতি মিনিটে আপনার শরীরের প্রায় দেড় লিটার রক্ত লিভারের ভেতর দিয়ে যায়, পরিষ্কার হয়ে বের হয়। দিনে-রাতে চব্বিশ ঘণ্টা — বিনা বেতনে, বিনা ছুটিতে।
শরীরের অঙ্গগুলো দিনে কতগুলো আলাদা কাজ সামলায়
এই একটা অঙ্গের ওপরই হজম, রক্ত পরিশোধন, পুষ্টি সঞ্চয়, বিষাক্ত পদার্থ বের করা, হরমোনের ভারসাম্য — সব দাঁড়িয়ে আছে। সে দুর্বল হলে একের পর এক রোগ দেখা দেয়।
ঘরে খাবার আছে, তবু পেট খালি; দামি খাবার খাচ্ছেন, তবু শরীরে শক্তি নেই। কারণ খাবার খাওয়া আর খাবার কাজে লাগা — এক জিনিস না। মাঝখানের কাজটা করে লিভার।
চর্বি হজম হয় লিভারের বানানো পিত্তরসে। তাই লিভার দুর্বল হলে একটু তেল-চর্বিওয়ালা খাবার খেলেই পেট ভার, বমি বমি ভাব, গা গুলানো।
দাঁতে ব্যথা হলে টের পান। পেটে ব্যথা হলে টের পান। কিন্তু লিভার নষ্ট হতে হতে ৭০ ভাগ শেষ হয়ে যায় — আপনি টেরও পান না। যখন টের পান, তখন অনেক দেরি।
👉 ব্যথা হওয়ার অপেক্ষা করবেন না।
মসৃণ, স্বাভাবিক রঙ ও আকার — খাবার হজম, রক্ত পরিশোধন সব ঠিকঠাক চলে
চর্বি জমে ফুলে যায়, রঙ ফ্যাকাশে — অথচ ব্যথা হয় না বলে কেউ টেরই পায় না
অথচ ব্যথা নেই বলে কেউ এর চিকিৎসা করে না
সুখবরও আছে — লিভার শরীরের এমন এক অঙ্গ, যে নিজেকে নিজে মেরামত করতে পারে। শুধু একটু সুযোগ আর সাহায্য দরকার। লিভারটন সেই সাহায্যটাই করে।
সারাদিন রান্না করেন, কিন্তু নিজে দুই লোকমার বেশি খেতে পারেন না। বলেন, "খেতে ইচ্ছা করে না।"
→ এটা বয়স না। এটা লিভার।সকালে ঘুম থেকে উঠেই বলেন, "শরীরটা ভাঙা ভাঙা লাগে।" সারারাত ঘুমিয়েও ক্লান্তি যায় না।
→ ঘুমের মধ্যেই শরীরের মেরামতের কাজটা হয়, আর সেটা করে লিভার।ভাত দেখলেই মুখ ঘুরিয়ে নেয়, চিপস-চকলেট ছাড়া কিছু খায় না। মা কত রান্না করে সামনে বসে থাকেন।
→ এটা জেদ না। এটা পেটের সমস্যা।দাওয়াতে যেতে চান না। লোকজনের সামনে বসতে ভয় লাগে — কখন ঢেকুর উঠে যায়, কখন পেট ডেকে ওঠে।
→ এই অস্বস্তিটা যার হয়, সে-ই বোঝে।আপনি তো ইচ্ছা করে ভেজাল খাননি। বাজারে যা পেয়েছেন, তা-ই কিনেছেন। আজকাল আমরা যে কেমিক্যালযুক্ত ভেজাল খাবার খাই, তা লিভারের ওপর রীতিমতো অত্যাচার করে — দুর্বল করে ফেলে, ফ্যাটি লিভার বানিয়ে দেয়।
দোষ আপনার না। কিন্তু ভুগছেন আপনি। আর সমাধানটাও আপনার হাতেই।
ইউনানী চিকিৎসার পুরনো কথা — "মিদা (পাকস্থলী) সুস্থ থাকলে পুরো শরীর সুস্থ; মিদা অসুস্থ হলে পুরো শরীর অসুস্থ।"
ফাস্ট ফুড, তেলে ভাজা, অতিরিক্ত ঝাল-মশলা, অনিয়মিত খাওয়া — পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষতিগ্রস্ত করে, অ্যাসিড বাড়িয়ে দেয়।
অতিরিক্ত ক্যালোরি, চর্বিযুক্ত খাবার আর পরিশ্রমের অভাবে লিভারে চর্বি জমে। অবহেলা করলে এটি সিরোসিসের দিকে গড়াতে পারে।
ব্যথানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড — দীর্ঘদিন খেলে পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষয় হয় ও লিভার দুর্বল হয়ে পড়ে।
স্ট্রেসে পাকস্থলীতে অ্যাসিড বেড়ে যায়। আর রাত জাগলে লিভারের ডিটক্সিফিকেশনের কাজটাই বাধাগ্রস্ত হয়।
H. pylori ব্যাকটেরিয়া গ্যাস্ট্রিক আলসারের প্রধান কারণ। হেপাটাইটিস ভাইরাস লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে। দূষিত পানি ও খাবার থেকেও সংক্রমণ ছড়ায়।
চাল থেকে তেল, মাছ-মুরগি-মাংস, সবজি-ফল — আজ প্রায় সব খাদ্যেই ভেজাল। ফসল ফলাতে গিয়ে যে পরিমাণ কেমিক্যাল ও কীটনাশক ব্যবহার হচ্ছে, তার পুরো ধকলটা গিয়ে পড়ে আপনার লিভারের ওপর। লিভার একলা আর কত পারে?
গাছের ডাল কাটলে আবার গজায় — শিকড় ধরতে হয়। অন্যরা দেয় রোগের নাম ধরে ওষুধ। আমরা দিই মূল কারণের ওষুধ।
| যা হয় | বাজারের অ্যান্টাসিড | লিভারটন |
|---|---|---|
| কাজের ধরন | অ্যাসিড চেপে রাখে | লিভারকে শক্তিশালী করে |
| ওষুধ শেষ হলে | সমস্যা আবার হাজির | মূল কারণই দূর হয় |
| রুচি ও হজম | বদলায় না | খিদে ও রুচি ফিরে আসে |
| ঘুম | কোনো প্রভাব নেই | গভীর ও আরামদায়ক |
| দীর্ঘদিন খেলে | পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষয় | কোনো ক্ষতি নেই |
| মাসিক খরচ | প্রতি মাসেই যায় | দিনে মাত্র ১০ টাকা |
বাজারে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ আছে, আমাশয়ের ওষুধ আছে, কোষ্ঠকাঠিন্যের ওষুধ আছে — এভাবে আলাদা আলাদা রোগের আলাদা আলাদা ওষুধ। কিন্তু লিভারের জন্য শক্তিশালী ওষুধ কেউ বানায় না। বানালেও নামে ভেষজ, ভেতরে কেমিক্যাল।
হুজুর বলেন — রোগ যা-ই হোক, সবার আগে লিভারটন। এটা কোনো একটা রোগের ওষুধ না; এটা বাকি সব চিকিৎসার ভিত্তি। ঘর বানানোর আগে যেমন ভিত দিতে হয়, তেমন।
একটা ওষুধে চারটা কাজ — এজন্যই একে বলা হয় লিভারের যোগ্য সঙ্গী।
পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে আনে
লিভারকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে
খাবার দ্রুত হজম করায়, রুচি ফেরায়
স্নায়ুতন্ত্র শান্ত করে প্রাকৃতিক ঘুম আনে
আল্লাহ তায়ালা আমাদের শরীরের ভেতরেই একজন ডাক্তার দিয়ে দিয়েছেন। সে না পারলে তখনই বাইরের ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। লিভারটন ভেতরের সেই ডাক্তারকে সক্রিয় রাখে — ঘুমের মধ্যেই শরীর নিজের চিকিৎসা নিজে করে নেয়।
আর যে ধরনের খাবারই খান, শক্তিশালী লিভার তা থেকে সর্বোচ্চ পুষ্টি ও শক্তি টেনে নেবে; আর খাবারের বিষ ও কেমিক্যাল যেন রক্তে না মেশে, সেই লড়াইটা করবে। অর্থাৎ খাবারের উপকারটুকু দেবে, ক্ষতি থেকে বাঁচাবে।
আমাদের বহু বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আনুমানিক হিসাব
⚠️ এগুলো আমাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অনুমান। একেক জনের শরীর একেক রকম, আর শিফা একমাত্র আল্লাহর হাতে — আমরা শুধু উপকরণ গ্রহণ করি।
📌 উপরের যেসব দীর্ঘমেয়াদি রোগে (সিরোসিস, হেপাটাইটিস, ক্রোনস, আলসার) আপনি ডাক্তারের চিকিৎসা নিচ্ছেন — লিভারটন সেখানে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে, লিভারকে শক্তি জোগাবে। চলমান চিকিৎসা বন্ধ করবেন না।
সাধারণ নিয়ম — সকালে খালি পেটে, প্রতিবার ১০ থেকে ২০ মিলি। এটি ওষুধের চেয়ে বেশি লিভারের খাবার — বেশি খেলে বেশি উপকার, কম খেলে কম।
প্রতিবার ১০ থেকে ২০ মিলি — এর মধ্যেই রাখবেন। এটি ওষুধের চেয়ে বেশি লিভারের খাবার; বেশি খেলে বেশি উপকার, কম খেলে কম।
প্রাকৃতিক জিনিসের নিয়মটাই উল্টো — অ্যান্টিবায়োটিকে দিন দিন মাত্রা বাড়াতে হয়, আর এখানে যত সুস্থ হবেন, তত মাত্রা কমাবেন।
| আপনার অবস্থা | কখন খাবেন |
|---|---|
| পেটে কোনো সমস্যা নেই | শুধু সকালে খালি পেটে |
| মধ্যম পেটের সমস্যা | সকালে খালি পেটে + রাতে খাবারের পরে |
| দীর্ঘমেয়াদি পেটের সমস্যা | সকালে খালি পেটে + দুপুরে ও রাতে খাবারের পরে |
| আমাশয়, আলসারের মতো কঠিন রোগ | কয়েকদিন একটু বেশি করে — খাবারের আগে-পরেও |
সকালে ভুলে গেলে অন্য সময়ও খেতে পারবেন — কোনো সমস্যা নেই। আর প্রত্যেক বেলা খাবারের পর অল্প অল্প করে খেলে সবচেয়ে ভালো।
কমসে কম উপকারের জন্য সকালে খালি পেটে — সর্বোচ্চ উপকারের জন্য প্রত্যেক বেলা খাবারের পর।
বড়দের এক মাস থেকে ৪০ দিন চলে যায়। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে দুই মাসও চলতে পারে।
আশা করা যায় এক মাসের মধ্যেই পেটের যে রোগই হোক, লিভার শক্তিশালী হওয়ার কারণে ঠিক হয়ে যাবে।
সব অবস্থায় খাওয়া যাবে। গর্ভবতী মহিলা, বাচ্চা — সবাই খেতে পারবেন। এক বছরের উপরের বাচ্চাও খেতে পারবে। এটি খুবই সাধারণ প্রাকৃতিক জিনিস; উপাদানে লবণ আছে, কোনো ধরনের কেমিক্যাল নেই। এজন্যই কোনো সতর্কতার প্রয়োজন পড়ে না।
💊 নিয়মিত কোনো রোগের ওষুধ চলতে থাকলে তা বন্ধ করবেন না — লিভারটন পাশাপাশি চলবে।
মানুষ পেটের সমস্যার জন্য আলাদা আলাদা ওষুধ খায় — গ্যাসের একটা, আমাশয়ের একটা, কোষ্ঠকাঠিন্যের একটা। কিন্তু মূল লিডার লিভারকে কিছুই দেয় না।
একটি সাধারণ পরিবারের পেট-সংক্রান্ত মাসিক খরচের চিত্র
💚 হিসাব করে দেখুন — ৩০০ টাকা মানে দিনে মাত্র ১০ টাকা, এক কাপ চায়ের দাম। অথচ প্রতি মাসে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে কত টাকা যায়? বছরে কয়েক হাজার টাকা খরচ করেও রোগ যায় না — শুধু চাপা থাকে।
গ্যাস্ট্রিক, আমাশয়, কোষ্ঠকাঠিন্য — আলাদা আলাদা ওষুধ আর কিনতে হবে না।
গভীর ঘুম হবে, রোগব্যাধি সহজে ধরবে না, শরীরের অন্য রোগগুলোও ধীরে ধীরে কমতে থাকবে।
খিদে লাগলে বাচ্চারা ভাত-শাকসবজিই মজা করে খাবে। ক্ষতিকর জেনেও যে প্যাকেটজাত খাবার কিনে দিতে হয়, তা আর লাগবে না।
"এটা খাব, ওটা খাব না" — একেকজনের একেক চাহিদার জন্য আলাদা বাজার করতে হবে না।
সিজনের সস্তা খাবারই সবাই মজা করে খাবে, আর শক্তিশালী লিভার সাধারণ খাবার থেকেই সর্বোচ্চ পুষ্টি বের করে নেবে।
খাওয়ার পর শরীর ভারী হয়ে যাওয়া, ঠিকমতো পরিশ্রম করতে না পারা — এসব থাকবে না। সতেজ শরীরে কাজ ঠিকমতো হলে আয়ও বাড়ে।
🍽️ তাই বলি — খাবার টেবিলেই যেন লিভারটন থাকে। একজনের জন্য নয়, পুরো পরিবারের জন্য।
এই প্রশ্নটা আমাদের সবচেয়ে বেশি শুনতে হয়। লিভারের খাঁটি উপাদানগুলো সত্যিই দামি — ছোট পরিসরে বানাতে গেলে এক বোতলের খরচই হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়। তাহলে আমরা পারছি কীভাবে?
হুজুর দশটা পণ্য নিয়ে ছড়িয়ে যাননি। বিশাল আয়োজনে গড়া পুরো কোম্পানিটাই দাঁড়িয়ে আছে এই একটি ওষুধকে ঘিরে।
যে মৌসুমে হার্বস সবচেয়ে ভালো ও সহজলভ্য, ঠিক তখনই বিপুল পরিমাণে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ। মাঝখানের দালালি নেই।
মানুষ একবার খেয়ে আবার নিচ্ছেন, পুরো পরিবার নিয়ে নিচ্ছেন। উৎপাদন যত বাড়ে, প্রতি বোতলের খরচ তত কমে।
লিভারটনই হুজুরের কোম্পানির পরিচয়পত্র। আমরা চাই না বড় বড় বিজ্ঞাপনে মডেলের পেছনে টাকা ঢালতে। আমরা চাই — আপনি নিজে কম টাকায় অল্প করে খেয়ে দেখুন। একবার উপকার পেলে যে আস্থাটা তৈরি হবে — সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন।
তাই "কম দাম মানে মান কম" — এমনটা ভাববেন না। মানুষ নিজেই বলে — "আমার লাখ টাকার কাজ ৩০০ টাকায় হয়ে গেছে।"
অল্প করে শুরু করবেন, নাকি পুরো কোর্স — সিদ্ধান্ত পুরোটাই আপনার।
ছোট প্যাক — প্রথমবার পরখ করার জন্য
এক মাস থেকে ৪০ দিনের কোর্স
৩ দিনের প্যাক × ২৪টি — হাদিয়া দিতে বা দোকানে রাখতে
🌿 লিভারটন প্লাস — দ্বিগুণ শক্তিশালী, তামার পাত্রে তৈরি নিজস্ব ফর্মুলা। ৭ দিনের ছোট প্যাক ৳৫০, পূর্ণ বোতল ৳৫০০ (৭ দিনের গ্যারান্টিসহ) — দুটোই নিচের ফর্মে আছে।
সারাদেশে আমাদের চেম্বার ও ফার্মেসিগুলোতে বড় লিভারটন দেওয়ার আগে গ্রাহকের হাতে ছোট স্যাম্পল পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই সাইজটি তৈরি করা হয়েছে।
সাধারণত মানুষ পেট খারাপ বা গ্যাসের সমস্যা হলে ফার্মেসিতে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ কিনতে যায়। কিন্তু অ্যালোপ্যাথিকের জায়গায় যদি তাদের এই কার্যকরী ও শতভাগ প্রাকৃতিক লিভারটন দেওয়া যায়, তবে ১ম বার ব্যবহারেই তারা চমকে যাবে। ইনশাআল্লাহ — বদহজম, টক ঢেকুর বা গ্যাস্ট্রিকের যেকোনো খারাপ লাগা এটি খাওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই দূর হয়ে যায়।
প্রথম কয়েক দিনেই গভীর ও আরামদায়ক ঘুম হতে শুরু করবে
খাবারের রুচি ফিরে আসে, ঠিক সময়ে খিদে লাগে
কয়েক দিন পর শরীর নিজেই লিভারটনের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারে
গ্রাহকদের গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের প্রাকৃতিক বিকল্প হিসেবে এই ছোট প্যাকটি সাজেস্ট করতে পারেন — যা পরবর্তীতে আপনার বড় লিভারটন বিক্রি অনেক সহজ করে দেবে। ২৪ পিসের কার্টুন মাত্র ৭২০ টাকা (প্রতি পিস ৩০ টাকা)।
আর আমাদের যেসব পুরোনো রোগী লিভারটন খেয়ে উপকার পেয়েছেন এবং অন্যদের উপহার দিয়ে সাহায্য করতে চান — কার্টুনটা তাঁদের জন্যও।
ঔষধ হাতে পাওয়ার পর খেয়ে দেখুন। পছন্দ না হলে বা উপকার না পেলে ৭ দিনের মধ্যে আমাদের জানিয়ে ক্যাশব্যাক দাবি করুন — আমরা সাথে সাথে রিটার্ন নিয়ে টাকা ফেরত দেব, ইনশাআল্লাহ। স্যাম্পল খাওয়া শেষ করেও পছন্দ না হলে পরিপূর্ণ টাকা ফেরত নিতে পারবেন।
💯 ঝুঁকি শূন্য — সিদ্ধান্ত পুরোটাই আপনারআমাদের ওয়েবসাইটে কোনো অর্ডার ফর্ম বা কল রিকোয়েস্ট নেই — শুধুমাত্র রিসেপশন হটলাইনে কল করে অর্ডার করুন।
অর্ডার করতে বা পরামর্শ নিতে সরাসরি আমাদের রিসেপশন হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ নম্বরে কল করুন। রিসেপশন থেকে আপনার সাথে কথা বলার জন্য একজন সহকারী হাকিমকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
📞 রিসেপশন হটলাইনে কল করুন — ০৯৬৬৬ ৭৯২ ৪৯২পুরো পরিবারের জন্য নিয়ে নিন। ঝুঁকি নেই — ৭ দিনে উপকার না পেলে টাকা ফেরত।
আমাদের ওয়েবসাইটে কোনো অর্ডার ফর্ম বা কল রিকোয়েস্ট নেই — শুধুমাত্র রিসেপশন হটলাইনে কল করে অর্ডার করুন।
⚠ হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ থেকে কল ও মেসেজ না এলে অর্ডারটি ভুয়া। সারাদেশে আমাদের বহু ডিলার ও চেম্বার — যেখান থেকেই অর্ডার করুন, কনফার্ম আসে একমাত্র হটলাইন থেকেই।
📞 রিসেপশন হটলাইনে কল করুন — ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২