হাকীম মাওলানা আশরাফ আলী হাকীম মাওলানা আশরাফ আলী 📞 ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২
📋 সরকারি অনুমোদিত ইউনানী ঔষধ · রেজি নং ২২৩৪

৩০০ টাকার লিভারটন
শুরু করুন মাত্র ৩০ টাকায়

গ্যাস্ট্রিক, বদহজম, পেট ফাঁপা, অরুচি, অনিদ্রা, ক্লান্তি — এই সবগুলোর গোড়ায় একটাই কারণ, দুর্বল লিভার। লিভার ঠিক হলে পেটের রোগগুলো এমনিতেই বিদায় নেয়।

৩০ টাকাথেকে শুরু — নিজে পরখ করে দেখুন
৭ দিনের গ্যারান্টিউপকার না পেলে টাকা ফেরত
৳৩০০ মাত্র লিভারটন — ইউনানী লিভার সিরাপ
🛡️৭ দিনের মানিব্যাক
💵হাতে পেয়ে টাকা
🚚সারা দেশে ১–৩ দিনে
🌿১০০% প্রাকৃতিক
এক মিনিটের পরীক্ষা

এই সমস্যাগুলো কি আপনার আছে?

যেগুলো আপনার সাথে মেলে, সেগুলোতে টিক দিন — নিচে ফলাফল দেখুন।

আসল কারণ

শরীরের সবচেয়ে বড় নেতা কে জানেন? লিভার।

লিডার ঠিক থাকলে সব কর্মীও ঠিক থাকে। লিডার দুর্বল হলে গোটা প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে।

প্রায় দেড় কেজি ৫০০+ কাজ পিত্তথলি চর্বি হজম করে মিনিটে দেড় লিটার রক্ত পরিষ্কার হয়
মস্তিষ্কের পরেই শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ — ডান লোব, বাম লোব ও পিত্তথলি

👑 একাই একটা আস্ত কারখানা

হৃদপিণ্ড করে একটামাত্র কাজ — রক্ত পাম্প করা। আর লিভার একাই সামলায় পাঁচ শতাধিক কাজ: খাবার হজম, রক্ত পরিশোধন, পুষ্টি সঞ্চয়, বিষাক্ত পদার্থ বের করা, পিত্তরস তৈরি, হরমোনের ভারসাম্য।

দিনে-রাতে চব্বিশ ঘণ্টা, বিনা বেতনে, বিনা ছুটিতে।

আল্লাহ তায়ালা এমনি এমনি লিভারকে এত বড় বানাননি। মস্তিষ্কের পরেই শরীরের সবচেয়ে বড় ও ভারী অঙ্গ এটি — প্রায় দেড় কেজি ওজন। এত বড় একটা কারখানা শরীরের ভেতরে বসানো হয়েছে, নিশ্চয়ই বিরাট কাজের জন্যই।

প্রতি মিনিটে আপনার শরীরের প্রায় দেড় লিটার রক্ত লিভারের ভেতর দিয়ে যায়, পরিষ্কার হয়ে বের হয়। দিনে-রাতে চব্বিশ ঘণ্টা — বিনা বেতনে, বিনা ছুটিতে।

লিভার একাই করে ৫০০-র বেশি কাজ

শরীরের অঙ্গগুলো দিনে কতগুলো আলাদা কাজ সামলায়

লিভার ৫০০+ কিডনি ৫ ফুসফুস ২ হৃদপিণ্ড ১ (রক্ত পাম্প)

এই একটা অঙ্গের ওপরই হজম, রক্ত পরিশোধন, পুষ্টি সঞ্চয়, বিষাক্ত পদার্থ বের করা, হরমোনের ভারসাম্য — সব দাঁড়িয়ে আছে। সে দুর্বল হলে একের পর এক রোগ দেখা দেয়।

বাজার যত ভালোই হোক — বাবুর্চি অসুস্থ থাকলে রান্না ভালো হবে না

🍳 লিভার হলো শরীরের বাবুর্চি

ঘরে খাবার আছে, তবু পেট খালি; দামি খাবার খাচ্ছেন, তবু শরীরে শক্তি নেই। কারণ খাবার খাওয়া আর খাবার কাজে লাগা — এক জিনিস না। মাঝখানের কাজটা করে লিভার।

চর্বি হজম হয় লিভারের বানানো পিত্তরসে। তাই লিভার দুর্বল হলে একটু তেল-চর্বিওয়ালা খাবার খেলেই পেট ভার, বমি বমি ভাব, গা গুলানো।

যে কারণে কেউ টের পায় না

লিভারের সবচেয়ে ভয়ংকর দিকটা — লিভারে ব্যথা হয় না

দাঁতে ব্যথা হলে টের পান। পেটে ব্যথা হলে টের পান। কিন্তু লিভার নষ্ট হতে হতে ৭০ ভাগ শেষ হয়ে যায় — আপনি টেরও পান না। যখন টের পান, তখন অনেক দেরি।

👉 ব্যথা হওয়ার অপেক্ষা করবেন না।

সুস্থ লিভার

মসৃণ, স্বাভাবিক রঙ ও আকার — খাবার হজম, রক্ত পরিশোধন সব ঠিকঠাক চলে

ফ্যাটি লিভার

চর্বি জমে ফুলে যায়, রঙ ফ্যাকাশে — অথচ ব্যথা হয় না বলে কেউ টেরই পায় না

আলট্রাসনো করালে ১০ জনের ৩–৪ জনের রিপোর্টেই লেখা আসে "ফ্যাটি লিভার"

অথচ ব্যথা নেই বলে কেউ এর চিকিৎসা করে না

◼ ফ্যাটি লিভার আছে ◼ এখনো ভালো আছে

সুখবরও আছে — লিভার শরীরের এমন এক অঙ্গ, যে নিজেকে নিজে মেরামত করতে পারে। শুধু একটু সুযোগ আর সাহায্য দরকার। লিভারটন সেই সাহায্যটাই করে।

চিনতে পারছেন?

এই কথাগুলো কি আপনার ঘরের কথা?

মা

সারাদিন রান্না করেন, কিন্তু নিজে দুই লোকমার বেশি খেতে পারেন না। বলেন, "খেতে ইচ্ছা করে না।"

→ এটা বয়স না। এটা লিভার।
বাবা

সকালে ঘুম থেকে উঠেই বলেন, "শরীরটা ভাঙা ভাঙা লাগে।" সারারাত ঘুমিয়েও ক্লান্তি যায় না।

→ ঘুমের মধ্যেই শরীরের মেরামতের কাজটা হয়, আর সেটা করে লিভার।
ছেলেমেয়ে

ভাত দেখলেই মুখ ঘুরিয়ে নেয়, চিপস-চকলেট ছাড়া কিছু খায় না। মা কত রান্না করে সামনে বসে থাকেন।

→ এটা জেদ না। এটা পেটের সমস্যা।
আর আপনি?

দাওয়াতে যেতে চান না। লোকজনের সামনে বসতে ভয় লাগে — কখন ঢেকুর উঠে যায়, কখন পেট ডেকে ওঠে।

→ এই অস্বস্তিটা যার হয়, সে-ই বোঝে।

🙏 নিজেকে দোষ দেবেন না

আপনি তো ইচ্ছা করে ভেজাল খাননি। বাজারে যা পেয়েছেন, তা-ই কিনেছেন। আজকাল আমরা যে কেমিক্যালযুক্ত ভেজাল খাবার খাই, তা লিভারের ওপর রীতিমতো অত্যাচার করে — দুর্বল করে ফেলে, ফ্যাটি লিভার বানিয়ে দেয়।

দোষ আপনার না। কিন্তু ভুগছেন আপনি। আর সমাধানটাও আপনার হাতেই।

কারণ

পাকস্থলী ও লিভারের সমস্যা কেন হয়?

ইউনানী চিকিৎসার পুরনো কথা — "মিদা (পাকস্থলী) সুস্থ থাকলে পুরো শরীর সুস্থ; মিদা অসুস্থ হলে পুরো শরীর অসুস্থ।"

শিকড় বনাম ডাল

বাজারের ওষুধে কেন কাজ হয় না?

গাছের ডাল কাটলে আবার গজায় — শিকড় ধরতে হয়। অন্যরা দেয় রোগের নাম ধরে ওষুধ। আমরা দিই মূল কারণের ওষুধ।

যা হয়বাজারের অ্যান্টাসিডলিভারটন
কাজের ধরনঅ্যাসিড চেপে রাখেলিভারকে শক্তিশালী করে
ওষুধ শেষ হলেসমস্যা আবার হাজিরমূল কারণই দূর হয়
রুচি ও হজমবদলায় নাখিদে ও রুচি ফিরে আসে
ঘুমকোনো প্রভাব নেইগভীর ও আরামদায়ক
দীর্ঘদিন খেলেপাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষয়কোনো ক্ষতি নেই
মাসিক খরচপ্রতি মাসেই যায়দিনে মাত্র ১০ টাকা

বাজারে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ আছে, আমাশয়ের ওষুধ আছে, কোষ্ঠকাঠিন্যের ওষুধ আছে — এভাবে আলাদা আলাদা রোগের আলাদা আলাদা ওষুধ। কিন্তু লিভারের জন্য শক্তিশালী ওষুধ কেউ বানায় না। বানালেও নামে ভেষজ, ভেতরে কেমিক্যাল।

হুজুর বলেন — রোগ যা-ই হোক, সবার আগে লিভারটন। এটা কোনো একটা রোগের ওষুধ না; এটা বাকি সব চিকিৎসার ভিত্তি। ঘর বানানোর আগে যেমন ভিত দিতে হয়, তেমন।

যেভাবে কাজ করে

লিভারটন একসাথে চারটি কাজ করে

একটা ওষুধে চারটা কাজ — এজন্যই একে বলা হয় লিভারের যোগ্য সঙ্গী।

🔥

অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ

পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে আনে

🫁

ডিটক্সিফিকেশন

লিভারকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে

🍽️

হজমশক্তি

খাবার দ্রুত হজম করায়, রুচি ফেরায়

😴

গভীর ঘুম

স্নায়ুতন্ত্র শান্ত করে প্রাকৃতিক ঘুম আনে

🩺 শরীরের ভেতরের ডাক্তার

আল্লাহ তায়ালা আমাদের শরীরের ভেতরেই একজন ডাক্তার দিয়ে দিয়েছেন। সে না পারলে তখনই বাইরের ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। লিভারটন ভেতরের সেই ডাক্তারকে সক্রিয় রাখে — ঘুমের মধ্যেই শরীর নিজের চিকিৎসা নিজে করে নেয়।

আর যে ধরনের খাবারই খান, শক্তিশালী লিভার তা থেকে সর্বোচ্চ পুষ্টি ও শক্তি টেনে নেবে; আর খাবারের বিষ ও কেমিক্যাল যেন রক্তে না মেশে, সেই লড়াইটা করবে। অর্থাৎ খাবারের উপকারটুকু দেবে, ক্ষতি থেকে বাঁচাবে।

সময়রেখা

খাওয়া শুরু করলে কবে থেকে বুঝবেন?

আমাদের বহু বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আনুমানিক হিসাব

আধা ঘণ্টা টক ঢেকুর ও বুক জ্বালা বন্ধ ২–৩ দিন খিদে ও রুচি ফিরে আসে ৭ দিন পেট পরিষ্কার, ঘুম গভীর এক মাস পেটের যাবতীয় সমস্যা সমাধানের পথে ভালো খারাপ

⚠️ এগুলো আমাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অনুমান। একেক জনের শরীর একেক রকম, আর শিফা একমাত্র আল্লাহর হাতে — আমরা শুধু উপকরণ গ্রহণ করি।

✅ লিভার শক্তিশালী হলে কী কী হবে?

🔸 খাবার দ্রুত হজম হবে, ঠিক সময়ে খিদে লাগবে
🔸 খিদে লাগলে সব খাবারই সুস্বাদু লাগে — রুচি ফিরবে
🔸 "এটা খাব, ওটা ভালো লাগে না" — বাছবিচার থাকবে না
🔸 বদহজম, বুক জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর — বন্ধ
🔸 পেট ও বাথরুম ক্লিয়ার থাকবে
🔸 সারাদিন শরীরে ফুল এনার্জি, ক্লান্তি লাগবে না
🔸 রাতে ঠিক সময়ে গভীর ঘুম হবে

👥 কাদের বিশেষভাবে দরকার?

✔️ বাইরে খাওয়া চাকুরিজীবী
✔️ রাত জাগা মানুষ ও ড্রাইভার
✔️ হোস্টেল-মেসে থাকা ছাত্র
✔️ বয়স্ক মা-বাবা
✔️ সন্তান জন্মের পর দুর্বল মা
✔️ যাঁদের রিপোর্টে ফ্যাটি লিভার এসেছে
✔️ যাঁরা বছরের পর বছর গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়েই যাচ্ছেন
কার্যকারিতা

লিভারটন যেসব সমস্যায় কাজে আসে

🫁 পাকস্থলীর সমস্যা

গ্যাস্ট্রিকঅ্যাসিডিটিগ্যাস্ট্রিক আলসার ডিওডেনাল আলসারGERD (রিফ্লাক্স)ডিসপেপসিয়া পেট ফাঁপাবুক জ্বালাপোড়াটক ঢেকুর বমি বমি ভাবমুখে টক পানি আসা

🫀 লিভারের সমস্যা

ফ্যাটি লিভারজন্ডিসহেপাটাইটিস লিভার দুর্বলতালিভার সিরোসিসপিত্তের সমস্যা লিভার এনজাইম বেড়ে যাওয়া

🔄 হজম ও অন্ত্রের সমস্যা

বদহজমআমাশয়পুরাতন আমাশয় ডায়রিয়াপাতলা পায়খানাকোষ্ঠকাঠিন্য IBSক্রোনস ডিজিজপেট মোচড়ানো কৃমির সমস্যাপেট ভার হয়ে থাকা

😴 ঘুম ও দুর্বলতা

দীর্ঘদিনের অনিদ্রাঅস্থির ঘুমবারবার ঘুম ভাঙা সারাদিনের ক্লান্তিশারীরিক দুর্বলতাখাওয়ার পর ঝিমুনি

🩸 আনুষঙ্গিক

বুক ও পিঠের ব্যথা (গ্যাস্ট্রিকজনিত)মাথাব্যথা (হজমজনিত) মুখে দুর্গন্ধজিহ্বায় সাদা আস্তরণখাবারে অরুচি ওজন কমে যাওয়াচুলকানি ও চর্মরোগমেজাজ খিটখিটে

📌 উপরের যেসব দীর্ঘমেয়াদি রোগে (সিরোসিস, হেপাটাইটিস, ক্রোনস, আলসার) আপনি ডাক্তারের চিকিৎসা নিচ্ছেন — লিভারটন সেখানে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে, লিভারকে শক্তি জোগাবে। চলমান চিকিৎসা বন্ধ করবেন না।

সেবনবিধি

কীভাবে খাবেন?

সাধারণ নিয়ম — সকালে খালি পেটে, প্রতিবার ১০ থেকে ২০ মিলি। এটি ওষুধের চেয়ে বেশি লিভারের খাবার — বেশি খেলে বেশি উপকার, কম খেলে কম।

লিভারটন ১০–২০ মিলি প্রতিবার সকালে খালি পেটে সবচেয়ে ভালো

🥄 মাত্রা মনে রাখা সহজ

প্রতিবার ১০ থেকে ২০ মিলি — এর মধ্যেই রাখবেন। এটি ওষুধের চেয়ে বেশি লিভারের খাবার; বেশি খেলে বেশি উপকার, কম খেলে কম।

প্রাকৃতিক জিনিসের নিয়মটাই উল্টো — অ্যান্টিবায়োটিকে দিন দিন মাত্রা বাড়াতে হয়, আর এখানে যত সুস্থ হবেন, তত মাত্রা কমাবেন।

আপনার অবস্থাকখন খাবেন
পেটে কোনো সমস্যা নেইশুধু সকালে খালি পেটে
মধ্যম পেটের সমস্যাসকালে খালি পেটে + রাতে খাবারের পরে
দীর্ঘমেয়াদি পেটের সমস্যাসকালে খালি পেটে + দুপুরে ও রাতে খাবারের পরে
আমাশয়, আলসারের মতো কঠিন রোগকয়েকদিন একটু বেশি করে — খাবারের আগে-পরেও

🍽️ খাবার টেবিলেই রাখুন

সকালে ভুলে গেলে অন্য সময়ও খেতে পারবেন — কোনো সমস্যা নেই। আর প্রত্যেক বেলা খাবারের পর অল্প অল্প করে খেলে সবচেয়ে ভালো।

কমসে কম উপকারের জন্য সকালে খালি পেটে — সর্বোচ্চ উপকারের জন্য প্রত্যেক বেলা খাবারের পর।

⏳ এক বোতলে কতদিন?

বড়দের এক মাস থেকে ৪০ দিন চলে যায়। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে দুই মাসও চলতে পারে।

আশা করা যায় এক মাসের মধ্যেই পেটের যে রোগই হোক, লিভার শক্তিশালী হওয়ার কারণে ঠিক হয়ে যাবে।

🛡️ কোনো সতর্কতা নেই

সব অবস্থায় খাওয়া যাবে। গর্ভবতী মহিলা, বাচ্চা — সবাই খেতে পারবেন। এক বছরের উপরের বাচ্চাও খেতে পারবে। এটি খুবই সাধারণ প্রাকৃতিক জিনিস; উপাদানে লবণ আছে, কোনো ধরনের কেমিক্যাল নেই। এজন্যই কোনো সতর্কতার প্রয়োজন পড়ে না।

💊 নিয়মিত কোনো রোগের ওষুধ চলতে থাকলে তা বন্ধ করবেন না — লিভারটন পাশাপাশি চলবে।

টাকার হিসাব

এটি একজনের ওষুধ নয় — পুরো পরিবারের খরচ কমানোর হিসাব

মানুষ পেটের সমস্যার জন্য আলাদা আলাদা ওষুধ খায় — গ্যাসের একটা, আমাশয়ের একটা, কোষ্ঠকাঠিন্যের একটা। কিন্তু মূল লিডার লিভারকে কিছুই দেয় না।

মাসে কোথায় কত টাকা যায়

একটি সাধারণ পরিবারের পেট-সংক্রান্ত মাসিক খরচের চিত্র

৳৮০০+ গ্যাস্ট্রিকেরওষুধ ৳৬০০+ ডাক্তার ওটেস্ট ৳৫০০+ বাচ্চাদের চিপস-প্যাকেট খাবার ৳৩০০+ অরুচির জন্যদামি খাবার ৳৩০০ লিভারটন (একবার)

💚 হিসাব করে দেখুন — ৩০০ টাকা মানে দিনে মাত্র ১০ টাকা, এক কাপ চায়ের দাম। অথচ প্রতি মাসে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে কত টাকা যায়? বছরে কয়েক হাজার টাকা খরচ করেও রোগ যায় না — শুধু চাপা থাকে।

🍽️ তাই বলি — খাবার টেবিলেই যেন লিভারটন থাকে। একজনের জন্য নয়, পুরো পরিবারের জন্য।

খোলাখুলি কথা

এত উপকার, অথচ দাম এত কম কেন?

এই প্রশ্নটা আমাদের সবচেয়ে বেশি শুনতে হয়। লিভারের খাঁটি উপাদানগুলো সত্যিই দামি — ছোট পরিসরে বানাতে গেলে এক বোতলের খরচই হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়। তাহলে আমরা পারছি কীভাবে?

🌿

এক ওষুধ, পূর্ণ মনোযোগ

হুজুর দশটা পণ্য নিয়ে ছড়িয়ে যাননি। বিশাল আয়োজনে গড়া পুরো কোম্পানিটাই দাঁড়িয়ে আছে এই একটি ওষুধকে ঘিরে।

🌾

সিজনে বিশাল সংগ্রহ

যে মৌসুমে হার্বস সবচেয়ে ভালো ও সহজলভ্য, ঠিক তখনই বিপুল পরিমাণে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ। মাঝখানের দালালি নেই।

📈

সারাদেশে ব্যাপক চাহিদা

মানুষ একবার খেয়ে আবার নিচ্ছেন, পুরো পরিবার নিয়ে নিচ্ছেন। উৎপাদন যত বাড়ে, প্রতি বোতলের খরচ তত কমে।

💚 কম দামের পেছনে একটা উদ্দেশ্যও আছে

লিভারটনই হুজুরের কোম্পানির পরিচয়পত্র। আমরা চাই না বড় বড় বিজ্ঞাপনে মডেলের পেছনে টাকা ঢালতে। আমরা চাই — আপনি নিজে কম টাকায় অল্প করে খেয়ে দেখুন। একবার উপকার পেলে যে আস্থাটা তৈরি হবে — সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন।

তাই "কম দাম মানে মান কম" — এমনটা ভাববেন না। মানুষ নিজেই বলে — "আমার লাখ টাকার কাজ ৩০০ টাকায় হয়ে গেছে।"

🔥 চলমান অফার

নিজে পরখ করে দেখুন — ঝুঁকি আপনার নয়, আমাদের

অল্প করে শুরু করবেন, নাকি পুরো কোর্স — সিদ্ধান্ত পুরোটাই আপনার।

৩ দিনের প্যাক

ছোট প্যাক — প্রথমবার পরখ করার জন্য

৳৩০ / ৩ দিন
  • ৩০০ টাকার জিনিস ৩০ টাকায় শুরু
  • ৭ দিনের লিভারটন প্লাস ৫০ টাকায়
  • এলাকার প্রতিনিধি ও চেম্বারেও পাওয়া যায়
  • মাঠে-ময়দানে ফ্রি ক্যাম্পেইনও চলছে
🧪 ৩০ টাকায় শুরু করুন
🔥 সবচেয়ে জনপ্রিয়

পূর্ণ লিভারটন

এক মাস থেকে ৪০ দিনের কোর্স

৳৩০০ / বোতল
  • ৭ দিনের মানিব্যাক গ্যারান্টি
  • পুরো পরিবারের জন্য যথেষ্ট
  • দিনে মাত্র ১০ টাকা
  • ক্যাশ অন ডেলিভারি — হাতে পেয়ে টাকা
📞 কল করুন — ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২

২৪ পিসের কার্টুন

৩ দিনের প্যাক × ২৪টি — হাদিয়া দিতে বা দোকানে রাখতে

৳৭২০ / ২৪ পিস
  • প্রতি পিস মাত্র ৩০ টাকা
  • প্রিয়জনদের বিলি করে সদকায়ে জারিয়া
  • ফার্মেসি ও চেম্বারের জন্য উপযুক্ত
  • ক্যাশ অন ডেলিভারি
📦 কার্টুন অর্ডার করুন

🌿 লিভারটন প্লাস — দ্বিগুণ শক্তিশালী, তামার পাত্রে তৈরি নিজস্ব ফর্মুলা। ৭ দিনের ছোট প্যাক ৳৫০, পূর্ণ বোতল ৳৫০০ (৭ দিনের গ্যারান্টিসহ) — দুটোই নিচের ফর্মে আছে।

প্রশ্নটা অনেকেই করেন

কেন এই ৩০ টাকার লিভারটন?

সারাদেশে আমাদের চেম্বার ও ফার্মেসিগুলোতে বড় লিভারটন দেওয়ার আগে গ্রাহকের হাতে ছোট স্যাম্পল পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই সাইজটি তৈরি করা হয়েছে।

সাধারণত মানুষ পেট খারাপ বা গ্যাসের সমস্যা হলে ফার্মেসিতে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ কিনতে যায়। কিন্তু অ্যালোপ্যাথিকের জায়গায় যদি তাদের এই কার্যকরী ও শতভাগ প্রাকৃতিক লিভারটন দেওয়া যায়, তবে ১ম বার ব্যবহারেই তারা চমকে যাবে। ইনশাআল্লাহ — বদহজম, টক ঢেকুর বা গ্যাস্ট্রিকের যেকোনো খারাপ লাগা এটি খাওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই দূর হয়ে যায়।

😴

গভীর ঘুম

প্রথম কয়েক দিনেই গভীর ও আরামদায়ক ঘুম হতে শুরু করবে

🍽️

রুচি বাড়ে

খাবারের রুচি ফিরে আসে, ঠিক সময়ে খিদে লাগে

🛡️

শরীর নিজেই বোঝে

কয়েক দিন পর শরীর নিজেই লিভারটনের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারে

🏪 ফার্মেসি মালিক ও প্রতিনিধিদের জন্য

গ্রাহকদের গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের প্রাকৃতিক বিকল্প হিসেবে এই ছোট প্যাকটি সাজেস্ট করতে পারেন — যা পরবর্তীতে আপনার বড় লিভারটন বিক্রি অনেক সহজ করে দেবে। ২৪ পিসের কার্টুন মাত্র ৭২০ টাকা (প্রতি পিস ৩০ টাকা)।

আর আমাদের যেসব পুরোনো রোগী লিভারটন খেয়ে উপকার পেয়েছেন এবং অন্যদের উপহার দিয়ে সাহায্য করতে চান — কার্টুনটা তাঁদের জন্যও।

🛡️

৭ দিনের মানিব্যাক গ্যারান্টি

ঔষধ হাতে পাওয়ার পর খেয়ে দেখুন। পছন্দ না হলে বা উপকার না পেলে ৭ দিনের মধ্যে আমাদের জানিয়ে ক্যাশব্যাক দাবি করুন — আমরা সাথে সাথে রিটার্ন নিয়ে টাকা ফেরত দেব, ইনশাআল্লাহ। স্যাম্পল খাওয়া শেষ করেও পছন্দ না হলে পরিপূর্ণ টাকা ফেরত নিতে পারবেন।

💯 ঝুঁকি শূন্য — সিদ্ধান্ত পুরোটাই আপনার

📞 অর্ডার করার নিয়ম

আমাদের ওয়েবসাইটে কোনো অর্ডার ফর্ম বা কল রিকোয়েস্ট নেই — শুধুমাত্র রিসেপশন হটলাইনে কল করে অর্ডার করুন।

অর্ডার করতে বা পরামর্শ নিতে সরাসরি আমাদের রিসেপশন হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ নম্বরে কল করুন। রিসেপশন থেকে আপনার সাথে কথা বলার জন্য একজন সহকারী হাকিমকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

📞 রিসেপশন হটলাইনে কল করুন — ০৯৬৬৬ ৭৯২ ৪৯২
🔒 গোপন প্যাকেজিং 🚚 সারা দেশে হোম ডেলিভারি 💵 হাতে পেয়ে টাকা
প্রশ্নোত্তর

সচরাচর জিজ্ঞাসা

লিভারটন কত দিনে কাজ করে?
আধা ঘণ্টার মধ্যেই টক ঢেকুর ও বুক জ্বালাপোড়া বন্ধ হয়ে যায়। ২–৩ দিনে খিদে ও রুচি ফিরে আসে, ৭ দিন থেকে পেট পরিষ্কার ও ঘুম গভীর হয়, এক মাসে পেটের যাবতীয় সমস্যার বড় অংশ সমাধানের পথে আসে। একেক জনের শরীর একেক রকম — এগুলো আমাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অনুমান।
৭ দিনের গ্যারান্টি কীভাবে কাজ করে?
ঔষধ হাতে পাওয়ার পর খেয়ে দেখুন। পছন্দ না হলে বা উপকার না পেলে ৭ দিনের মধ্যে আমাদের জানিয়ে ক্যাশব্যাক দাবি করুন — আমরা রিটার্ন নিয়ে টাকা ফেরত দেব। ৭ দিন পার হয়ে গেলে আর দাবি করা যাবে না, তাই সময়মতো জানাবেন। দাবি করতে ফোন করুন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২।
৩০ টাকায় লিভারটন কীভাবে পাব?
ফর্মে "লিভারটন ৩ দিনের প্যাক — ৳৩০" বেছে নিয়ে নাম, নম্বর ও ঠিকানা দিন; ৭ দিনের লিভারটন প্লাসের ছোট প্যাক ৳৫০-এও আছে। তবে খেয়াল রাখবেন — ছোট প্যাকে ডেলিভারি চার্জ ১২০ টাকাই বেশি পড়ে যায়। আপনার এলাকায় আমাদের প্রতিনিধি বা চেম্বার থাকলে ডেলিভারি চার্জ ছাড়াই সেখান থেকে নিতে পারবেন — এজেন্ট কল করে জানিয়ে দেবেন। মাঠে-ময়দানে ফ্রি ক্যাম্পেইনও চলছে।
২৪ পিসের কার্টুন ৭২০ টাকা — এটা কী?
৩ দিনের ৩০ টাকার প্যাক ২৪টি একসাথে = ৭২০ টাকা। যাঁরা লিভারটনের উপকার নিজে বুঝেছেন এবং আত্মীয়-প্রতিবেশীদের হাদিয়া দিতে চান, কিংবা ফার্মেসি-চেম্বারে রেখে গ্রাহকদের গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের বদলে প্রাকৃতিক সমাধান দিতে চান — তাঁদের জন্য। ফর্মে "২৪ পিসের কার্টুন" বেছে নিলেই হবে।
এটি কি সরকারি অনুমোদিত?
হ্যাঁ, লিভারটন সরকারি অনুমোদিত ইউনানী ঔষধ। ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন নং: ২২৩৪। ওমেন্টাম ফার্মাসিউটিক্যালস আধুনিক উপায়ে উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।
কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে?
প্রাকৃতিক ইউনানী ফর্মুলায় তৈরি — কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। সব অবস্থায় খাওয়া যাবে; গর্ভবতী মা ও এক বছরের উপরের বাচ্চারাও খেতে পারবেন। উপাদানে লবণ আছে, কোনো ধরনের কেমিক্যাল নেই — এজন্যই কোনো সতর্কতার প্রয়োজন পড়ে না।
অন্য ওষুধের সাথে খাওয়া যাবে?
হ্যাঁ। নিয়মিত কোনো রোগের ওষুধ চলতে থাকলে তা বন্ধ করবেন না — লিভারটন পাশাপাশি চলবে। দীর্ঘমেয়াদি রোগে (হেপাটাইটিস, সিরোসিস, ক্রোনস, আলসার) চলমান চিকিৎসা চালিয়ে যান; লিভারটন সেখানে সহায়ক হিসেবে লিভারকে শক্তি জোগাবে।
উপাদানে কী কী আছে?
খাঁটি প্রাকৃতিক হার্বস। ফর্মুলাটা হুজুরের নিজস্ব — দীর্ঘ ৪ বছর ধরে ধরে রাখা এই সিক্রেট আমরা প্রকাশ করি না। তবে এটুকু নিশ্চিত থাকুন, এতে কোনো কেমিক্যাল নেই। একবার খেলেই বুঝবেন — জিভই সাক্ষী দেবে যে আপনি খাঁটি প্রাকৃতিক জিনিস খাচ্ছেন।
টাকা কখন দিতে হবে? ডেলিভারি চার্জ কত?
ক্যাশ অন ডেলিভারি — কুরিয়ার থেকে পার্সেল হাতে পাওয়ার পর টাকা দেবেন। ডেলিভারি চার্জ ১২০ টাকা, সারা দেশে ১–৩ দিনে পৌঁছে যায়।
শিশুদের দেওয়া যাবে?
হ্যাঁ, এক বছরের উপরের বাচ্চারাও খেতে পারবে। খিদে ফিরে আসায় বাচ্চারা ভাত-শাকসবজি মজা করে খাবে — চিপস-চকলেটের ঝোঁক কমবে। এক বোতলে বাচ্চাদের দুই মাসও চলে যেতে পারে।
দীর্ঘদিন খাওয়া যাবে?
হ্যাঁ, দীর্ঘদিন সেবনে কোনো ক্ষতি নেই। সুস্থ হওয়ার পরও প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১০–২০ মিলি খেলে পেট ও লিভার সুস্থ থাকবে। প্রাকৃতিক জিনিসের নিয়ম উল্টো — যত সুস্থ হবেন, তত মাত্রা কমাবেন; একপর্যায়ে মাঝেমধ্যে গ্যাপও দিতে পারবেন।

রোগ যা-ই হোক, সবার আগে লিভারটন

পুরো পরিবারের জন্য নিয়ে নিন। ঝুঁকি নেই — ৭ দিনে উপকার না পেলে টাকা ফেরত।

অর্ডার করার নিয়ম

আমাদের ওয়েবসাইটে কোনো অর্ডার ফর্ম বা কল রিকোয়েস্ট নেই — শুধুমাত্র রিসেপশন হটলাইনে কল করে অর্ডার করুন।

  1. রিসেপশনে কল করুনঅর্ডার বা পরামর্শের জন্য আমাদের হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ নম্বরে কল করুন।
  2. সহকারী হাকিম নির্ধারণরিসেপশন থেকে আপনার সাথে কথা বলার জন্য একজন সহকারী হাকিমকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
  3. পরামর্শ ও অর্ডারসহকারী হাকিমের সাথে বিস্তারিত কথা বলে পরামর্শ নিয়ে অর্ডার চূড়ান্ত করবেন।
  4. হটলাইন থেকে কনফার্ম০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ থেকে কল ও মেসেজ দিয়ে আপনার অর্ডার কনফার্ম করা হবে।

⚠ হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ থেকে কল ও মেসেজ না এলে অর্ডারটি ভুয়া। সারাদেশে আমাদের বহু ডিলার ও চেম্বার — যেখান থেকেই অর্ডার করুন, কনফার্ম আসে একমাত্র হটলাইন থেকেই।

📞 রিসেপশন হটলাইনে কল করুন — ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২
৳৩০০৭ দিনের গ্যারান্টি
📞 কল করুন — ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ 📞