হাকীম মাওলানা আশরাফ আলীহাকীম মাওলানা আশরাফ আলী 📞 হটলাইন: ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২
লিভারটন
🌿 লিভার

লিভারটন

সরকারি অনুমোদিত ইউনানী সিরাপ — পাকস্থলী, লিভার ও ফ্যাটি লিভারের যত্নে। ৭ দিনের ক্যাশব্যাক গ্যারান্টি।

৳৩০০ পিস
🏥ইউনানী বিশেষজ্ঞ 🚚সারা দেশে হোম ডেলিভারি 💵হাতে পেয়ে টাকা 🔒গোপন প্যাকেজিং

এই সমস্যাগুলো কি আপনার আছে?

পেটের সমস্যা শুধু পেটে সীমাবদ্ধ থাকে না — পুরো শরীরকে প্রভাবিত করে

🔥গ্যাস, পেট ফাঁপা, বুক জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর
😖বুক ও পিঠে ব্যথা — গ্যাস্ট্রিকের কারণে
🚽কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, পেটে অস্বস্তি
🍽️খাবারে রুচি নেই, খেলেও হজম হয় না
😴রাতে ঘুম হয় না, অনিদ্রায় কষ্ট
😪সবসময় ক্লান্ত, দুর্বল, এনার্জি নেই
🫁লিভারে সমস্যা — ফ্যাটি লিভার, জন্ডিস

পাকস্থলী ও লিভারের সমস্যা কেন হয়?

পেট ও লিভার সুস্থ না থাকলে পুরো শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে

🔬 পাকস্থলী ও লিভার — শরীরের ইঞ্জিন

পাকস্থলী খাবার হজম করে এবং লিভার শরীরের ফিল্টার — রক্ত পরিশোধন, পুষ্টি সঞ্চয়, বিষাক্ত পদার্থ বের করা সব লিভারের কাজ। এই দুটো অঙ্গ সুস্থ না থাকলে — খাবার ঠিকমতো হজম হয় না, পুষ্টি শোষিত হয় না, বিষাক্ত পদার্থ জমে, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।

ইউনানী চিকিৎসায় বলা হয় — "মিদা (পাকস্থলী) সুস্থ থাকলে পুরো শরীর সুস্থ, মিদা অসুস্থ হলে পুরো শরীর অসুস্থ।"

১

অনিয়মিত ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

ফাস্ট ফুড, তেলে ভাজা, অতিরিক্ত ঝাল-মশলা, অনিয়মিত খাওয়া — পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষতিগ্রস্ত করে, অ্যাসিড বেড়ে যায়।

২

লিভারে চর্বি জমা (ফ্যাটি লিভার)

অতিরিক্ত ক্যালোরি, চর্বিযুক্ত খাবার ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে লিভারে চর্বি জমে। এটি লিভার সিরোসিসে রূপ নিতে পারে।

৩

অতিরিক্ত ওষুধ সেবন

ব্যথানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড — এসব ওষুধ দীর্ঘদিন খেলে পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষয় হয় ও লিভার দুর্বল হয়।

৪

মানসিক চাপ ও অনিয়মিত ঘুম

স্ট্রেসে পাকস্থলীতে অ্যাসিড বেড়ে যায়। অনিদ্রায় লিভারের ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

৫

সংক্রমণ ও পরিবেশগত কারণ

H. pylori ব্যাকটেরিয়া গ্যাস্ট্রিক আলসারের প্রধান কারণ। হেপাটাইটিস ভাইরাস লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে। দূষিত পানি ও খাবার থেকে সংক্রমণ ছড়ায়।

৫০%
বাংলাদেশি গ্যাস্ট্রিকসহ পেটের সমস্যায় ভোগেন
৩৩%
প্রাপ্তবয়স্কদের ফ্যাটি লিভার আছে
৭দিন
লিভারটনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি

লিভারটন যেসব রোগে কার্যকর

🫁

পাকস্থলীর সমস্যা

গ্যাস্ট্রিক আলসার ডিওডেনাল আলসার GERD ডিসপেপসিয়া
🫀

লিভারের সমস্যা

ফ্যাটি লিভার জন্ডিস হেপাটাইটিস A-E লিভার সিরোসিস
🔄

হজম ও অন্ত্রের সমস্যা

IBS আমাশয় ডায়রিয়া ক্রোনস ডিজিজ
😴

ঘুমের সমস্যা

দীর্ঘদিনের অনিদ্রা অস্থির ঘুম ঘুমে ব্যাঘাত

লিভারটন কিভাবে সুস্থতা ফেরায়?

🌿 ইউনানী ফর্মুলা — ভেতর থেকে সুস্থতা

লিভারটন হাকিম মাওলানা আশরাফ আলী সাহেবের ফর্মুলায় তৈরি। আগে ঘরোয়াভাবে পেট ও ঘুমের সমস্যায় ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি অনুমোদন নিয়ে আধুনিক উপায়ে উৎপাদন করা হচ্ছে।

লিভারটন একই সাথে পাকস্থলীর অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ, লিভারের ডিটক্সিফিকেশন, হজমশক্তি বৃদ্ধি, এবং স্নায়ুতন্ত্র শান্ত করে ঘুম আনা — চারটি কাজ একসাথে করে। বাজারের অ্যান্টাসিড শুধু অ্যাসিড চেপে রাখে, কিন্তু লিভারটন মূল কারণ দূর করে।

✅ লিভারটন যা যা করে

🔥 গ্যাস ও পেট ফাঁপা দূর 🫀 বুক জ্বালা ও টক ঢেকুর উপশম 💨 কোষ্ঠকাঠিন্য দূর 🍽️ ক্ষুধা ও রুচি বৃদ্ধি 🫁 লিভার সুরক্ষা ⚡ শারীরিক দুর্বলতা দূর 😴 অনিদ্রায় কার্যকর 🩸 বুক ও পিঠের ব্যথা দূর

লিভারটনের উপাদান

🔒 উপাদান গোপনীয়

ঔষধের উপাদান আমাদের সিক্রেট, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে যে সিক্রেট ধরে রাখছি, তাই আমাদের ঔষধের সাথে অন্য কোনো ঔষধ বা প্রডাক্ট এর কোনো তুলনা বা মিল হয়না।

কিভাবে সেবন করবেন?

সাধারণ নিয়ম সকালে খালি পেটে — পেটের সমস্যা যত বেশি, বেলা তত বাড়বে

🥄 প্রতিবার ১০ থেকে ২০ মিলি। এটি ওষুধের চেয়ে বেশি লিভারের খাবার — বেশি খেলে বেশি উপকার, কম খেলে কম।
আপনার অবস্থাকখন খাবেন
পেটে কোনো সমস্যা নেইশুধু সকালে খালি পেটে
মধ্যম পেটের সমস্যাসকালে খালি পেটে + রাতে খাবারের পরে
দীর্ঘমেয়াদি পেটের সমস্যাসকালে খালি পেটে + দুপুরে ও রাতে খাবারের পরে
আমাশয়, আলসারের মতো কঠিন রোগকয়েকদিন একটু বেশি করে — অনেক ক্ষেত্রে খাবারের আগে-পরেও

💡 প্রাকৃতিক ওষুধের নিয়মটাই উল্টো

অ্যান্টিবায়োটিকে দিন দিন মাত্রা ও পাওয়ার বাড়াতে হয়। আর প্রাকৃতিক জিনিসের নিয়ম উল্টো — যত সুস্থ হবেন, তত মাত্রা কমাবেন।

কঠিন রোগে কয়েকদিন বেশি খাওয়ার পর সুস্থ হয়ে গেলে মাত্রা কমিয়ে দেবেন। পেটে কোনো সমস্যা না থাকলে শুধু সকালে খালি পেটে। পরে একপর্যায়ে মাঝেমধ্যে গ্যাপও দিতে পারবেন — এটি ব্যক্তিভেদে আলাদা।

🍽️ খাবার টেবিলেই রাখুন

মূল নিয়ম সকালে খালি পেটে। তবে সকালে ভুলে গেলে অন্য সময়ও খেতে পারবেন — কোনো সমস্যা নেই।

আর প্রত্যেক বেলা খাবারের পর অল্প অল্প করে খেলে সবচেয়ে ভালো — খাবারগুলো ঠিকঠাকমতো হজম হবে। প্রত্যেক বেলা খেলে কোনো সমস্যা নেই; বরং তখনই লিভারটনের সর্বোচ্চ উপকার পাওয়া যায়।

কমসে কম উপকারের জন্য সকালে খালি পেটে — সর্বোচ্চ উপকারের জন্য প্রত্যেক বেলা খাবারের পর।

⏳ এক বোতলে বড়দের এক মাস থেকে ৪০ দিন চলে যায়। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে দুই মাসও চলতে পারে। আশা করা যায় এক মাসের মধ্যেই পেটের যে রোগই হোক, লিভার শক্তিশালী হওয়ার কারণে ঠিক হয়ে যাবে।

কোনো সতর্কতা নেই

সব বয়সে, সব অবস্থায় নিশ্চিন্তে খেতে পারবেন

🛡️ কারা খেতে পারবেন?

সব অবস্থায় খাওয়া যাবে। গর্ভবতী মহিলা, বাচ্চা — সবাই খেতে পারবেন। এক বছরের উপরের বাচ্চাও খেতে পারবে।

এটি খুবই সাধারণ প্রাকৃতিক জিনিস; উপাদানে লবণ আছে, কোনো ধরনের কেমিক্যাল নেই। এজন্যই কোনো সতর্কতার প্রয়োজন পড়ে না।

নিয়মিত কোনো রোগের ওষুধ চলতে থাকলে তা বন্ধ করবেন না — লিভারটন পাশাপাশি চলবে।

কবে থেকে বুঝবেন?

আমাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আনুমানিক হিসাব

সময়যা টের পাবেন
আধা ঘণ্টায়টক ঢেকুর ও বুক জ্বালাপোড়া বন্ধ
২–৩ দিনেখিদে ও রুচি ফিরে আসে
৭ দিন থেকেপেট পরিষ্কার, ঘুম গভীর
এক মাসেপেটের যাবতীয় সমস্যার বড় অংশ সমাধানের পথে
⚠️ এগুলো আমাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অনুমান। একেক জনের শরীর একেক রকম, আর শিফা একমাত্র আল্লাহর হাতে — আমরা শুধু উপকরণ গ্রহণ করি।

লিভারটনের প্রধান উপকারিতা

🔥

গ্যাস্ট্রিক দূর

গ্যাস, পেট ফাঁপা, বুক জ্বালা দ্রুত দূর করে

🫁

লিভার সুরক্ষা

ফ্যাটি লিভার ও জন্ডিসে কার্যকর

🍽️

রুচি ফেরায়

ক্ষুধা বাড়ায়, খাবার সঠিকভাবে হজম করে

💨

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর

বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য স্থায়ীভাবে সমাধান

😴

ঘুম আনে

দীর্ঘদিনের অনিদ্রায় অত্যন্ত কার্যকর

⚡

শক্তি ফেরায়

দুর্বলতা দূর করে শরীরে এনার্জি আনে

📋

সরকারি অনুমোদিত

ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন নং: ২২৩৪

🛡️

মানি ব্যাক

৭ দিনে উপকার না পেলে টাকা ফেরত

লিভারটন কেন পুরো পরিবারের জন্য প্রয়োজন

এটি একজনের ওষুধ নয় — পুরো পরিবারের খরচ কমানোর হিসাব

🎯 মূল কথাটা এখানেই

মানুষ পেটের সমস্যার জন্য আলাদা আলাদা ওষুধ খায় — গ্যাসের একটা, আমাশয়ের একটা, কোষ্ঠকাঠিন্যের একটা। কিন্তু মূল লিডার লিভারকে কিছুই দেয় না।

লিভার ঠিক হয়ে গেলে পেটের ওই সমস্যাগুলোই আর হবে না — তখন আলাদা আলাদা ওষুধের খরচও লাগবে না।

১

পেটের ওষুধের খরচ বন্ধ

গ্যাস্ট্রিক, আমাশয়, কোষ্ঠকাঠিন্য — আলাদা আলাদা ওষুধ আর কিনতে হবে না।

২

ডাক্তার দেখানোর খরচ কমবে

গভীর ঘুম হবে, রোগব্যাধি সহজে ধরবে না, শরীরের অন্য রোগগুলোও ধীরে ধীরে কমতে থাকবে।

৩

বাচ্চাদের চিপস-মজার খরচ বাঁচবে

খিদে লাগলে বাচ্চারা ভাত-শাকসবজিই মজা করে খাবে। ক্ষতিকর জেনেও যে প্যাকেটজাত খাবার কিনে দিতে হয়, তা আর লাগবে না।

৪

খাবারে বাছবিচার থাকবে না

"এটা খাব, ওটা খাব না" — একেকজনের একেক চাহিদার জন্য আলাদা বাজার করতে হবে না।

৫

দামি খাবার কিনতে হবে না

সিজনের সস্তা খাবারই সবাই মজা করে খাবে, আর শক্তিশালী লিভার সাধারণ খাবার থেকেই সর্বোচ্চ পুষ্টি বের করে নেবে।

৬

বাজার খরচ কমবে — মাসে কয়েক হাজার টাকা

সবার রুচি ঠিক হয়ে যাবে; আগে যে খাবার খেতে পারত না, এখন সেটাও পারবে।

৭

আয়-বরকত বাড়বে

খাওয়ার পর শরীর ভারী হয়ে যাওয়া, ঠিকমতো পরিশ্রম করতে না পারা — এসব থাকবে না। সতেজ শরীরে কাজ ঠিকমতো হলে আয়ও বাড়ে।

🍽️ তাই বলি — খাবার টেবিলেই যেন লিভারটন থাকে। একজনের জন্য নয়, পুরো পরিবারের জন্য।

এত উপকার, অথচ দাম এত কম কেন?

এই প্রশ্নটা আমাদের সবচেয়ে বেশি শুনতে হয় — উত্তরটা খোলাখুলি বলি

লিভারের খাঁটি উপাদানগুলো সত্যিই দামি। ছোট পরিসরে বানাতে গেলে এক বোতলের খরচই হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়। তাহলে আমরা পারছি কীভাবে? তিনটি কারণে —

১

🌿 এক ওষুধ, পূর্ণ মনোযোগ

হুজুর দশটা পণ্য নিয়ে ছড়িয়ে যাননি। বিশাল আয়োজনে গড়া পুরো কোম্পানিটাই দাঁড়িয়ে আছে এই একটি ওষুধকে ঘিরে।

২

🌿 সিজনে বিশাল সংগ্রহ

যে মৌসুমে হার্বস সবচেয়ে ভালো ও সহজলভ্য, ঠিক তখনই বিপুল পরিমাণে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়। মাঝখানের দালালি নেই, মৌসুমের বাইরের চড়া দাম নেই।

৩

🌿 সারাদেশে ব্যাপক চাহিদা

মানুষ একবার খেয়ে আবার নিচ্ছেন, পুরো পরিবার নিয়ে নিচ্ছেন। উৎপাদন যত বাড়ে, প্রতি বোতলের খরচ তত কমে। সেই সাশ্রয়টুকু আমরা আপনার হাতেই তুলে দিয়েছি।

💚 হিসাব করে দেখুন — ৩০০ টাকা মানে দিনে মাত্র ১০ টাকা, এক কাপ চায়ের দাম। অথচ প্রতি মাসে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে কত টাকা যায়?

আজই শুরু করুন

অল্প করে পরখ করে দেখুন, নয়তো পূর্ণ কোর্স — সিদ্ধান্ত আপনার

ট্রায়াল
৩০ ও ৫০ টাকার ট্রায়াল প্যাক
প্রথমবার পরখ করে দেখার জন্য
৳৩০থেকে শুরু
  • মাত্র ৭ দিনেই উপকার টের পাবেন
  • ৩০০ টাকার জিনিস ৩০ টাকায় শুরু
  • মাঠে-ময়দানে ফ্রি ক্যাম্পেইনও চলছে
📞 হটলাইনে যোগাযোগ

ট্রায়াল প্যাক চেম্বার ও এলাকার প্রতিনিধির কাছে

৳১২০ডেলিভারি চার্জ
১–৩ দিনসারা দেশে পৌঁছে যাবে
৭ দিনমানি ব্যাক গ্যারান্টি

পুরো পরিবারের জন্য নিয়ে নিন

রোগ যা-ই হোক, সবার আগে লিভারটন — হুজুরের কথা।

📞 অর্ডার করতে কল করুন — ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ অথবা ফোন করুন — ০৯৬৬৬ ৭৯২ ৪৯২

সচরাচর জিজ্ঞাসা

কতদিনে ফলাফল পাবো?▼
গ্যাস্ট্রিক ও পেট ফাঁপায় ২-৩ দিনেই আরাম পাবেন। ফ্যাটি লিভার, IBS এর মতো সমস্যায় ১-২ সপ্তাহে উল্লেখযোগ্য উন্নতি। আমরা ৭ দিনের ক্যাশব্যাক গ্যারান্টি দিচ্ছি — পছন্দ না হলে ৭ দিনের মধ্যে ক্যাশব্যাক দাবি করলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
ক্যাশব্যাক গ্যারান্টি কীভাবে কাজ করে?▼
ঔষধ হাতে পাওয়ার পর খেয়ে দেখুন। পছন্দ না হলে বা উপকার না পেলে ৭ দিনের মধ্যে আমাদের জানিয়ে ক্যাশব্যাক দাবি করুন — আমরা টাকা ফেরত দেব। ৭ দিন পার হয়ে গেলে আর দাবি করা যাবে না, তাই সময়মতো জানাবেন। দাবি করতে ফোন করুন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২।
এটি কি সরকারি অনুমোদিত?▼
হ্যাঁ, লিভারটন সরকারি অনুমোদিত ইউনানী ঔষধ। ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন নং: ২২৩৪। ওমেন্টাম ফার্মাসিউটিক্যালস আধুনিক উপায়ে উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।
অন্য ওষুধের সাথে খাওয়া যাবে?▼
লিভারটন প্রাকৃতিক ইউনানী ফর্মুলায় তৈরি, সাধারণত অন্য ওষুধের সাথে সমস্যা হয় না। তবে গুরুতর রোগে (হেপাটাইটিস, সিরোসিস) চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেবন শুরু করুন।
ঘুমের সমস্যায় কিভাবে কাজ করে?▼
পেটের সমস্যা ও লিভারের দুর্বলতা অনিদ্রার অন্যতম কারণ। লিভারটন পাকস্থলী ও লিভার সুস্থ করার পাশাপাশি স্নায়ুতন্ত্র শান্ত করে — ফলে প্রাকৃতিকভাবে ভালো ঘুম আসে। এটি ঘুমের ট্যাবলেটের মতো কৃত্রিম ঘুম আনে না।
কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে?▼
প্রাকৃতিক ইউনানী ফর্মুলায় তৈরি — কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। সব অবস্থায় খাওয়া যাবে; গর্ভবতী মা ও বাচ্চারাও খেতে পারবেন। উপাদানে লবণ আছে, কোনো ধরনের কেমিক্যাল নেই — এজন্যই কোনো সতর্কতার প্রয়োজন পড়ে না।
ফ্রি ক্যাম্পেইন কিভাবে পাবো?▼
সারাদেশে ফ্রি ক্যাম্পেইন চলছে। বিনামূল্যে পরীক্ষা করতে আপনার নিকটস্থ থানা প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করুন।
দীর্ঘদিন খাওয়া যাবে?▼
হ্যাঁ, লিভারটন দীর্ঘদিন সেবনে কোনো ক্ষতি নেই। সুস্থ হওয়ার পরও প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১০–২০ মিলি খেলে পেট ও লিভার সুস্থ থাকবে। একপর্যায়ে মাঝেমধ্যে গ্যাপও দিতে পারবেন।
শিশুদের দেওয়া যাবে?▼
হ্যাঁ, এক বছরের উপরের বাচ্চারাও খেতে পারবে। খিদে ফিরে আসায় বাচ্চারা ভাত-শাকসবজি মজা করে খাবে — চিপস-চকলেটের ঝোঁক কমবে। এক বোতলে বাচ্চাদের দুই মাসও চলে যেতে পারে।
📋 সরকারি অনুমোদিত
🛡️ ৭ দিনের মানি ব্যাক
🌿 ১০০% প্রাকৃতিক
💰 মাত্র ৳৩০০

অর্ডার করার নিয়ম

আমাদের ওয়েবসাইটে কোনো অর্ডার ফর্ম বা কল রিকোয়েস্ট নেই — শুধুমাত্র রিসেপশন হটলাইনে কল করে অর্ডার করুন।

  1. রিসেপশনে কল করুনঅর্ডার বা পরামর্শের জন্য আমাদের হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ নম্বরে কল করুন।
  2. সহকারী হাকিম নির্ধারণরিসেপশন থেকে আপনার সাথে কথা বলার জন্য একজন সহকারী হাকিমকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
  3. পরামর্শ ও অর্ডারসহকারী হাকিমের সাথে বিস্তারিত কথা বলে পরামর্শ নিয়ে অর্ডার চূড়ান্ত করবেন।
  4. হটলাইন থেকে কনফার্ম০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ থেকে কল ও মেসেজ দিয়ে আপনার অর্ডার কনফার্ম করা হবে।

⚠ হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ থেকে কল ও মেসেজ না এলে অর্ডারটি ভুয়া। সারাদেশে আমাদের বহু ডিলার ও চেম্বার — যেখান থেকেই অর্ডার করুন, কনফার্ম আসে একমাত্র হটলাইন থেকেই।

📞 রিসেপশন হটলাইনে কল করুন — ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২
৳৩০০ 📞 অর্ডার করতে কল করুন — ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২