হাকীম মাওলানা আশরাফ আলীহাকীম মাওলানা আশরাফ আলী 📞 হটলাইন: ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২
সাদাস্রাব ফাইল
🌿 সাদাস্রাব

সাদাস্রাব ফাইল

বটিকা ৪০ পিস + লিভারটন + লিকুনি সিরাপ — সাদাস্রাবের সম্পূর্ণ ৪০ দিনের সমাধান প্যাকেজ।

৳১,৫০০ পিস · কম্বো প্যাকেজ
🏥ইউনানী বিশেষজ্ঞ 🚚সারা দেশে হোম ডেলিভারি 💵হাতে পেয়ে টাকা 🔒গোপন প্যাকেজিং

এই সমস্যাগুলো কি আপনার আছে?

সাদাস্রাব নিয়ে অনেক নারী নীরবে কষ্ট পান — এটা লজ্জার নয়, চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা

💧অতিরিক্ত সাদা বা হলুদাভ স্রাব যা বন্ধ হচ্ছে না
🔥গোপনাঙ্গে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, অস্বস্তি
😫কোমরে ব্যথা, তলপেটে টান ধরা, দুর্বলতা
😔সবসময় ক্লান্ত, ম্লান চেহারা, শরীরে শক্তি নেই
😰মেজাজ খিটখিটে, মানসিক অশান্তি, দাম্পত্যে সমস্যা
💊বিভিন্ন ওষুধ খেয়েছেন কিন্তু সমস্যা বারবার ফিরে আসছে

সাদাস্রাব আসলে কি?

সাদাস্রাব বুঝলেই ভয় কমবে, সঠিক চিকিৎসা নিতে পারবেন

🔬 সাদাস্রাব কি স্বাভাবিক?

অল্প পরিমাণ পাতলা, গন্ধহীন, সাদা স্রাব নারীর শরীরে স্বাভাবিক — এটি জরায়ু ও যোনিপথকে পরিষ্কার ও আর্দ্র রাখে। মাসিকচক্রের বিভিন্ন সময়ে এর পরিমাণ কিছুটা বাড়তে-কমতে পারে।

কিন্তু যখন স্রাবের পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে যায়, রং পরিবর্তন হয় (হলুদ, সবুজ, ধূসর), দুর্গন্ধ হয়, সাথে চুলকানি বা জ্বালাপোড়া থাকে — তখন এটি রোগ, যার চিকিৎসা প্রয়োজন। ইউনানী চিকিৎসায় এটিকে "সায়লানুর রহম" বলে।

⚠️ সাদাস্রাব অবহেলা করলে কি হয়?

অনেকে মনে করেন এটা এমনিই সেরে যাবে। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিরিক্ত সাদাস্রাব চলতে থাকলে শরীরে ব্যাপক ক্ষতি হয় — শরীরের পুষ্টি ও শক্তি ক্রমাগত বের হয়ে যায়, জরায়ু দুর্বল হয়, এবং বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হয়।

৭৫%
নারী জীবনে কোনো না কোনো সময় সাদাস্রাবে ভোগেন
৬০%
সঠিক চিকিৎসা নেন না — লজ্জায় বা অবহেলায়
৪০দিন
সঠিক ইউনানী চিকিৎসায় সম্পূর্ণ সমাধান সম্ভব

সাদাস্রাবের কারণে শরীরে কি কি ক্ষতি হয়?

দীর্ঘদিনের সাদাস্রাব শুধু একটি সমস্যা না — এটি পুরো শরীরকে প্রভাবিত করে

😪শারীরিক দুর্বলতা ও অবসাদ — শরীরের পুষ্টি ও শক্তি ক্রমাগত বের হয়ে যায়
🦴কোমর ও পিঠে ব্যথা — জরায়ু ও আশেপাশের পেশী দুর্বল হয়ে পড়ে
😶‍🌫️মুখ ফ্যাকাসে, চোখের নিচে কালি — রক্তস্বল্পতা ও পুষ্টি ঘাটতি হয়
💔দাম্পত্য সম্পর্কে সমস্যা — যৌন ইচ্ছা কমে যায়, সহবাসে ব্যথা হয়
🤰সন্তান ধারণে জটিলতা — জরায়ুর পরিবেশ নষ্ট হয়, বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বাড়ে
😟মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব — বিষণ্নতা, খিটখিটে মেজাজ, আত্মবিশ্বাস কমে যায়
🦠ইনফেকশনের ঝুঁকি — ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়ে
💇‍♀️চুল পড়া ও ত্বক নষ্ট — পুষ্টি ঘাটতিতে চুল, ত্বক ও নখের স্বাস্থ্য খারাপ হয়

সাদাস্রাব কেন হয়?

একটি নয়, বেশ কয়েকটি কারণ একসাথে কাজ করে —

১

জরায়ু ও যোনিপথের দুর্বলতা

প্রসব, গর্ভপাত, বা অন্যান্য কারণে জরায়ু ও যোনিপথের পেশী ও আস্তরণ দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে স্বাভাবিক নিঃসরণ বেড়ে যায়।

২

হরমোন ভারসাম্যহীনতা

ইস্ট্রোজেন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে জরায়ু ও যোনিপথের মিউকাস ঝিল্লি থেকে অতিরিক্ত স্রাব হয়। এটি বয়ঃসন্ধি, গর্ভাবস্থা, বা মেনোপজের সময় বেশি হতে পারে।

৩

ইনফেকশন (ব্যাকটেরিয়া/ফাঙ্গাস)

যোনিপথে ক্যান্ডিডা ফাঙ্গাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ সাদাস্রাবের অন্যতম কারণ। এতে স্রাবের সাথে চুলকানি, দুর্গন্ধ ও জ্বালাপোড়া থাকে।

৪

পরিপাকতন্ত্র ও লিভারের দুর্বলতা

ইউনানী মতে, পরিপাকতন্ত্র দুর্বল হলে শরীরে অতিরিক্ত আর্দ্রতা (রুতুবাত) জমে — যা সাদাস্রাব আকারে বের হয়। লিভার দুর্বল হলে এই সমস্যা আরো বাড়ে।

৫

দুর্বল ইমিউন সিস্টেম ও রক্তস্বল্পতা

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। রক্তস্বল্পতা ও পুষ্টি ঘাটতি সমস্যাকে আরো জটিল করে।

৬

অপরিচ্ছন্নতা ও জীবনযাপনগত কারণ

গোপনাঙ্গের যত্নে অবহেলা, ভেজা বা আঁটসাঁট অন্তর্বাস, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ও মানসিক চাপ — এসবও সাদাস্রাব বাড়িয়ে দেয়।

সাদাস্রাব বটিকা — ৪০ দিনে পরিপূর্ণ সমাধান

শুধু স্রাব বন্ধ করে না — সাদাস্রাবের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে তাও রিকভার করে

☪️ ইউনানী দৃষ্টিভঙ্গি — ইলাজে সায়লানুর রহম

ইউনানী চিকিৎসায় সাদাস্রাবকে শরীরের মিজাজে বারিদ রতব (ঠান্ডা ও আর্দ্র ভারসাম্যহীনতা) এবং জুআফে রহম (জরায়ুর দুর্বলতা) হিসেবে চিকিৎসা করা হয়। শুধু স্রাব বন্ধ করা নয়, বরং —

🏛️

জরায়ু শক্তিশালী

মুকাওবিয়ে রহম — জরায়ু ও যোনিপথের পেশী সবল করা

⚖️

হরমোন ব্যালেন্স

ইতিদালে মিজাজ — শরীরের তাপ-আর্দ্রতার ভারসাম্য

🛡️

ইনফেকশন রোধ

দাফে তাআফফুন — সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিরাময়

💪

শক্তি রিকভারি

তাকওয়িয়ে বদন — হারানো শক্তি ও পুষ্টি পুনরুদ্ধার

💡 বটিকা কিভাবে কাজ করে?

সাদাস্রাব বটিকা দুই ধাপে কাজ করে:

প্রথম ধাপ (১-২০ দিন): জরায়ু ও যোনিপথকে শক্তিশালী করে, অতিরিক্ত আর্দ্রতা শুকিয়ে ফেলে, ইনফেকশন দূর করে, এবং সাদাস্রাব ধীরে ধীরে বন্ধ করে।

দ্বিতীয় ধাপ (২১-৪০ দিন): সাদাস্রাবের কারণে শরীরে যে দুর্বলতা, রক্তস্বল্পতা, পুষ্টি ঘাটতি, হরমোন ভারসাম্যহীনতা হয়েছে — সেগুলো রিকভার করে। শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনে।

সাদাস্রাব বটিকার উপাদান

🔒 উপাদান গোপনীয়

ঔষধের উপাদান আমাদের সিক্রেট, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে যে সিক্রেট ধরে রাখছি, তাই আমাদের ঔষধের সাথে অন্য কোনো ঔষধ বা প্রডাক্ট এর কোনো তুলনা বা মিল হয়না।

সাদাস্রাব ফাইলে কী কী থাকছে?

সম্পূর্ণ ৪০ দিনের সমাধানের জন্য তিনটি উপাদান একসাথে

💊

সাদাস্রাব বটিকা ৪০ পিস

প্রাথমিক লক্ষণ কমায়, জরায়ু শক্তিশালী করে — ৪০ দিনের কোর্স

🌿

লিভারটন

লিভার সবল করে হজম ও শরীরের আর্দ্রতার ভারসাম্য ঠিক রাখে

🧪

লিকুনি সিরাপ ৪৫০ মিলি

ভেতর থেকে সাদাস্রাবের দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে কাজ করে — ইউনানী ফর্মুলা

কিভাবে সেবন করবেন?

খুবই সহজ — মাত্র ৪০ দিনের কোর্স, তিনটি ধাপে

ধাপ ১ — তীব্র চিকিৎসা

১ম - ২০তম দিন

প্রতিদিন সকালে ১টি + রাতে ১টি বটিকা খাওয়ার পর সেবন করুন। এই ধাপে সাদাস্রাব দ্রুত কমতে শুরু করবে, জরায়ু শক্তিশালী হবে, ইনফেকশন দূর হবে।

ধাপ ২ — রিকভারি ও শক্তি পুনরুদ্ধার

২১তম - ৪০তম দিন

প্রতিদিন শুধু রাতে ১টি বটিকা খাওয়ার পর সেবন করুন। এই ধাপে সাদাস্রাবের কারণে হওয়া দুর্বলতা, রক্তস্বল্পতা, পুষ্টি ঘাটতি রিকভার হবে।

ফলাফল — পরিপূর্ণ সমাধান

৪০ দিন পর ✓

৪০ দিনে সাদাস্রাব সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং শরীরের হারানো শক্তি ফিরে আসে। জরায়ু সুস্থ ও শক্তিশালী হয়, ইনশাআল্লাহ।

বটিকার প্রধান উপকারিতা

🚫

সাদাস্রাব বন্ধ

অতিরিক্ত সাদাস্রাব স্থায়ীভাবে বন্ধ করে

🏛️

জরায়ু শক্তিশালী

জরায়ু ও যোনিপথের পেশী সবল করে

🩸

রক্তস্বল্পতা দূর

হারানো পুষ্টি ও রক্ত পুনরুদ্ধার করে

💪

শক্তি ফেরায়

ক্লান্তি, দুর্বলতা ও অবসাদ দূর করে

🛡️

ইনফেকশন রোধ

ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস সংক্রমণ দূর করে

🌸

মাসিক নিয়মিত

হরমোন ব্যালেন্স করে মাসিকচক্র স্বাভাবিক করে

এই প্যাকেজে ৩টি আলাদা ঔষধ

প্রতিটির কাজ আলাদা — কোনটি কী করে ও কিভাবে খাবেন, নিচে আলাদা করে দেওয়া হলো

💊
সাদাস্রাব বটিকা আলাদা ঔষধ — নিজস্ব কাজ
৳৪০০

৪০ পিস — ৪০ দিনের কোর্সে সাদাস্রাব ও এর জটিলতার সম্পূর্ণ সমাধান।

১ম থেকে ২০তম দিন: সকালে ১টি ও রাতে ১টি, খাওয়ার পর। ২১তম থেকে ৪০তম দিন: শুধু র… প্যাকেজে ১টি
🫁
লিভারটন আলাদা ঔষধ — নিজস্ব কাজ
৳৩০০

সরকারি অনুমোদিত ইউনানী সিরাপ — পাকস্থলী, লিভার ও ফ্যাটি লিভারের যত্নে।

অসুস্থ অবস্থায় দিনে ২-৩ বার ৩০ মিলি করে তিন গুণ পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন। সুস… প্যাকেজে ১টি
🧴
লিকুনি সিরাপ আলাদা ঔষধ — নিজস্ব কাজ
৳৮০০

৪৫০ মিলি — সাদাস্রাবের দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে কাজ করে এমন ইউনানি ফর্মুলা সিরাপ।

নিয়মিত সেবনবিধি অনুযায়ী দৈনিক নির্দিষ্ট মাত্রায় সেবন করুন। প্যাকেজে ১টি

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বটিকা কতদিন খেলে ফলাফল পাবো?▼
সাধারণত ১-২ সপ্তাহের মধ্যে সাদাস্রাব কমতে শুরু করে। ২০ দিনে স্রাব অনেকটাই বন্ধ হয়ে যায়। পরের ২০ দিন শরীরের ক্ষতি রিকভার হয়। পূর্ণ ৪০ দিনের কোর্স শেষ করলে পরিপূর্ণ সমাধান হয়।
গর্ভবতী অবস্থায় খাওয়া যাবে?▼
গর্ভাবস্থায় কোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সাধারণত গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া সেবন না করাই উচিত।
মাসিকের সময় কি খাওয়া চালিয়ে যাবো?▼
মাসিক চলাকালীন ৩-৫ দিন বিরতি দিন। মাসিক শেষ হলে আবার শুরু করুন। বাকি দিনগুলো যোগ করে কোর্স সম্পূর্ণ করুন।
কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে?▼
বটিকা ১০০% প্রাকৃতিক ইউনানী ফর্মুলায় তৈরি। সঠিক ডোজে সেবনে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে কোনো জটিল রোগ থাকলে হাকিম সাহেবের পরামর্শ নিন।
সাদাস্রাব কি ছোঁয়াচে?▼
সাধারণ সাদাস্রাব ছোঁয়াচে নয়। তবে যদি কোনো ইনফেকশনের কারণে হয় (যেমন ক্যান্ডিডা), তাহলে সহবাসে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
কোর্স শেষে কি আবার সমস্যা ফিরে আসবে?▼
সম্পূর্ণ ৪০ দিনের কোর্স শেষ করলে এবং খাদ্যাভ্যাস ও পরিচ্ছন্নতা মেনে চললে সাধারণত সমস্যা ফিরে আসে না। কারণ বটিকা শুধু স্রাব বন্ধ করে না, জরায়ু শক্তিশালী করে এবং মূল কারণ দূর করে।
অবিবাহিত মেয়েরা কি এটি খেতে পারবে?▼
হ্যাঁ, সাদাস্রাব শুধু বিবাহিত নারীদের সমস্যা নয়। অবিবাহিত মেয়েরাও সাদাস্রাবে ভুগতে পারেন এবং এই বটিকা তাদের জন্যও নিরাপদ ও কার্যকর।
সন্তান ধারণে সমস্যা হলে এটি সাহায্য করবে?▼
সাদাস্রাবের কারণে জরায়ুর পরিবেশ নষ্ট হলে সন্তান ধারণে সমস্যা হতে পারে। বটিকা জরায়ু সুস্থ ও শক্তিশালী করে, যা সন্তান ধারণে সহায়ক। তবে বন্ধ্যাত্বের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
🏥 ইউনানী বিশেষজ্ঞ
🌿 ১০০% প্রাকৃতিক
🛡️ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত
⭐ হাজারো সন্তুষ্ট রোগী

অর্ডার করার নিয়ম

আমাদের ওয়েবসাইটে কোনো অর্ডার ফর্ম বা কল রিকোয়েস্ট নেই — শুধুমাত্র রিসেপশন হটলাইনে কল করে অর্ডার করুন।

  1. রিসেপশনে কল করুনঅর্ডার বা পরামর্শের জন্য আমাদের হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ নম্বরে কল করুন।
  2. সহকারী হাকিম নির্ধারণরিসেপশন থেকে আপনার সাথে কথা বলার জন্য একজন সহকারী হাকিমকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
  3. পরামর্শ ও অর্ডারসহকারী হাকিমের সাথে বিস্তারিত কথা বলে পরামর্শ নিয়ে অর্ডার চূড়ান্ত করবেন।
  4. হটলাইন থেকে কনফার্ম০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ থেকে কল ও মেসেজ দিয়ে আপনার অর্ডার কনফার্ম করা হবে।

⚠ হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ থেকে কল ও মেসেজ না এলে অর্ডারটি ভুয়া। সারাদেশে আমাদের বহু ডিলার ও চেম্বার — যেখান থেকেই অর্ডার করুন, কনফার্ম আসে একমাত্র হটলাইন থেকেই।

📞 রিসেপশন হটলাইনে কল করুন — ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২
৳১,৫০০ 📞 অর্ডার করতে কল করুন — ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২