আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের ব্যবসার পরিধি এখন অনেক বড় হয়েছে। লিভারটোন, অ্যালার্জি ও চর্মরোগ, ডায়াবেটিস, ব্যথার তেল, যৌন সমস্যা, সাদাস্রাব ও চর্বি বটিকা — এসবসহ বিভিন্ন ওষুধের জন্য প্রতিদিন প্রচুর কল আসছে। তাই কল সেন্টারে নতুন লোক নেওয়া হচ্ছে — বাসায় বসে অথবা আমাদের অফিসে এসে কাজ করার সুযোগ। শুরুটা হোক আজ থেকেই।
আবেদনের জন্য আলাদা কোনো ফর্ম নেই। নিজের গ্রুপে যুক্ত হয়ে যান — ট্রেনিং, মিটিং ও নির্বাচনের সব ঘোষণা সেখানেই দেওয়া হয়। সবকিছু এখন টেলিগ্রামে — অ্যাপটি না থাকলে আগে নামিয়ে নিন।
এই মুহূর্তে মহিলাদের অডিও পাঠানো ও ইন্টারভিউ নেওয়া বন্ধ রয়েছে — এখন পুরুষদের নিয়োগের উপর মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।
আগামী ১ তারিখ থেকে আবার চালু হবে, ইনশাআল্লাহ। তখন নতুন করে কিছু সংখ্যক নেওয়া হবে। মহিলা গ্রুপেই ঘোষণা দেওয়া হবে — গ্রুপ ছাড়বেন না।
ধাপের লেখা আয়ত্ত করে নিজের কণ্ঠে রেকর্ড করে আমাদের ইন্টারভিউ বটে পাঠাবেন। পরিচালকরা শুনে প্রাথমিক ধাপ ফাইনাল করবেন — ফল গ্রুপেই জানানো হবে।
সরাসরি কারও সাথে কথা বলার দরকার নেই, নির্দিষ্ট সময়েরও বাধ্যবাধকতা নেই — প্রস্তুত হয়ে যখন খুশি পাঠাতে পারবেন।
🎙️ ইন্টারভিউ বট খুলুনগ্রুপে যুক্ত হতে বা বট চালাতে সমস্যা হলে ফোন করুন — 📞 ০১৮২৮-১৪৯০৩২
পুরুষ ও মহিলা — উভয়ের জন্য। নিয়ম ও বেতন দুজনের ক্ষেত্রেই এক। দেশের যেকোনো জায়গা থেকে করা যাবে।
শুধু পুরুষদের জন্য। বেতন বেশি, সাথে থাকা-খাওয়া ও এসি রুমের সুবিধা।
| দৈনিক কর্মঘণ্টা | মাসিক বেতন |
|---|---|
| ১২ ঘণ্টা | ১৫,০০০ টাকা |
| ১০ ঘণ্টা | ১২,০০০ টাকা |
| ৮ ঘণ্টা | ১০,০০০ টাকা |
| ৬ ঘণ্টা | ৮,০০০ টাকা |
| দৈনিক কর্মঘণ্টা | মাসিক বেতন | থাকা-খাওয়া |
|---|---|---|
| ১২ ঘণ্টা | ২৫,০০০ টাকা | ফ্রি |
| ১০ ঘণ্টা | ২০,০০০ টাকা | ফ্রি |
| ৮ ঘণ্টা | ১৫,০০০ টাকা | প্রযোজ্য নয় |
| পদ | সংখ্যা |
|---|---|
| কল সেন্টার — অফিসে (পুরুষ) | ৫০ জন |
| কল সেন্টার — বাসায় বসে (পুরুষ) | ২০ জন |
| কল সেন্টার — বাসায় বসে (মহিলা) | ১০ জন |
কলের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে পর্যায়ক্রমে আরও লোক নেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ। এবার যাঁরা বাছাই থেকে বাদ পড়বেন, পরবর্তীতে প্রয়োজন হলে তাঁদেরই আগে অফার দেওয়া হবে।
মাসিক বেতনের বাইরে বিক্রয়ের ওপর বোনাস।
প্রত্যেক কর্মীকে কোম্পানির পক্ষ থেকে একটি অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ সিম দেওয়া হবে।
অ্যাপ, সফটওয়্যার ও ওষুধ সম্পর্কে সব প্রশিক্ষণ আমাদের পক্ষ থেকে।
অ্যাপ বা সফটওয়্যারে যেকোনো সময় কাস্টমারের নম্বর আসতে পারে। তবে বেশিরভাগ নম্বর আসে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে।
অ্যাপ ও সফটওয়্যার ব্যবহারের সব নিয়ম আমাদের পক্ষ থেকে শিখিয়ে দেওয়া হবে — আগে থেকে জানা না থাকলেও সমস্যা নেই।
আপাতত মহিলাদের অডিও পাঠানো ও ইন্টারভিউ বন্ধ রাখা হয়েছে, কারণ এখন পুরুষদের নিয়োগের কাজ চলছে।
আগামী ১ তারিখে ইনশাআল্লাহ আবার ইন্টারভিউ ও ট্রেনিং শুরু হবে — তখন কিছু সংখ্যক নেওয়া হবে। নিচের নিয়মগুলো ততদিনে পড়ে প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন।
সাদাস্রাব, চর্বি বটিকা, অ্যালার্জি ও চর্মরোগ, ডায়াবেটিস, লিভারটোনসহ বিভিন্ন ওষুধের জন্য এখন প্রচুর মা-বোন ফোন করছেন। তাঁদের সুবিধার্থে আমরা একটি পৃথক মহিলা কল সেন্টার চালু করছি, যেখানে মহিলারাই মহিলাদের সাথে কথা বলবেন।
গত পাঁচ বছরে কখনো এই চিন্তা আসেনি, কিন্তু এখন প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি চাই না আমাদের পুরুষ এজেন্টরা মহিলা রোগীদের সাথে কথা বলুক। তাই মা-বোনেরা যেন নিজেরা নিজেদের মধ্যে স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করছি।
অনেকে পরামর্শ দিচ্ছেন মহিলাদের জন্য আলাদা হটলাইন নম্বর দিতে। কিন্তু তাতে পুরুষরা অযথা ডিস্টার্ব করতে পারেন। তাই আমরা রিসিপশনেই কল গ্রহণ করব — মহিলা রোগী কল করলে তাঁর নম্বর সফটওয়্যারের মাধ্যমে সরাসরি মহিলা কল সেন্টারে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
এভাবে আলাদা হয়ে যাবে এবং শুধুমাত্র মহিলারাই মহিলাদের সাথে যোগাযোগ করবেন।
বেতন, যোগ্যতা, দায়িত্ব, কাজের সময় ও ইন্টারভিউ পদ্ধতি — এগুলো পুরুষদের মতোই, উপরে বিস্তারিত দেওয়া আছে।
শুধু লিভারটোনের চারটি ধাপ। সবাইকে একই লেখা দেওয়া হয়, তাই বোঝা যায় কে কীভাবে গুছিয়ে, স্পষ্ট উচ্চারণে ও আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারেন।
এখানে ওষুধের জ্ঞান পরীক্ষা করা হয় না — সেটা শেখানো হবে পরের ধাপে।
অ্যাডভান্স গ্রুপে ওঠার পর প্রশ্নোত্তর গাইডের ৬৩৫টি প্রশ্ন মুখস্থ করতে হবে। ফাইনাল ইন্টারভিউয়ে যেকোনো ১০টি জিজ্ঞেস করা হবে।
প্রশ্নগুলো হুবহু জিজ্ঞেস করা হবে — গাইডে যেভাবে লেখা, ঠিক সেভাবেই। আপনি শুধু উত্তরটা বলবেন।
প্রাথমিক ইন্টারভিউ নেওয়া হবে শুধুমাত্র লিভারটোনের ওপর। শুরুতেই আমরা লিভারটোনের সব তথ্য একসাথে দেব না।
বিষয়টা ঠিক পড়াশোনার মতো — প্রথম শ্রেণিতেই তো সব পড়ানো হয় না, ধাপে ধাপে শেখানো হয়।
প্রথমে সংক্ষিপ্ত অংশ, তারপর প্রতি ধাপে একটু একটু করে গভীরে যাওয়া। প্রতিটি ধাপে আমরা একটি লেখা দেব — আপনি সেটি আয়ত্ত করে প্রেজেন্টেশন আকারে উপস্থাপন করবেন।
সম্ভাষণ (কথা শুরু করার চারটি আকর্ষণ) ও লিভারটোনের মূল কথা। আয়ত্ত করে প্রেজেন্টেশন আকারে উপস্থাপন করবেন।
লেখাটি পড়ুন →যোগ হবে — মহিলাদের সম্ভাষণ, ৭ দিনের গ্যারান্টির অফার, ওষুধ খাওয়ার নিয়ম ও লিভারের বিস্তারিত পরিচয়।
লেখাটি পড়ুন →যোগ হবে — নগদ / বাকি / ফ্রি অফারের ক্রম, "দাম এত কম কেন", রোগভেদে মাত্রা ও ডেলিভারির তথ্য।
লেখাটি পড়ুন →যোগ হবে — ৫টি পরিস্থিতির সংলাপ (কল সেন্টার, মার্কেট, মাদ্রাসা…), ক্লোজিং সিঁড়ি ও পূর্ণ রোগ-তালিকা। এটিই চূড়ান্ত ধাপ।
লেখাটি পড়ুন →চারটি ধাপই খোলা — যে কেউ পড়তে ও শিখতে পারবেন। কোনো লিংক চেয়ে নিতে হবে না।
তবে পরামর্শ থাকবে — ক্রম মেনে এগোন। আগে ধাপ ১ ভালোভাবে আয়ত্ত করুন, তারপর ধাপ ২-এ যান। একসাথে সব পড়ে ফেললে গুলিয়ে যায়, আর উপস্থাপনার সময় সেটা ধরা পড়ে যায়।
আসল কলের নমুনা ভিডিও — সাথে সম্পূর্ণ কথোপকথন লেখা আকারে। লেখা পড়ার পাশাপাশি ভিডিও দেখলে কৌশলটা অনেক সহজে বোঝা যায়।
ভিডিও দেখুন →কম টাকার অর্ডারকে সঠিক অর্ডারে নেওয়ার তিনটি পদ্ধতি — ১৫০ → ৫০০, লিভারটন ৩০ → ৩০০ এবং জাফরানি তেলের ডাবল অফার। পূর্ণ ডায়লগ, দামের চিট শিট, আপত্তি সামলানো ও যা কখনো বলবেন না — সব এক জায়গায়।
শেষে ২২টি প্রশ্নোত্তর ও পরীক্ষক মোড — অন্য কেউ র্যান্ডম প্রশ্ন ধরে আপনাকে নম্বর দিতে পারবেন।
কনভার্সন শিখুন →এটি প্রাথমিক ইন্টারভিউয়ের জন্য নয়। চারটি ধাপ পার হয়ে অ্যাডভান্স গ্রুপে ওঠার পর এটাই মুখস্থ করতে হবে — আমাদের সব ওষুধ, তাদের দাম ও কার্যকারিতা, রোগ, শরীরের সিস্টেম ও কল সেন্টারের নিয়ম, ৬৩৫টি প্রশ্ন ও উত্তরে সাজানো।
ফাইনাল ইন্টারভিউ এখান থেকেই হবে — যেকোনো ১০টি প্রশ্ন হুবহু জিজ্ঞেস করা হবে। উত্তর মুখস্থ থাকতে হবে; লেখা অনুযায়ী হুবহু বললেও চলবে।
প্রশ্নোত্তর দেখুন →যিনি চারটি ধাপ সফলভাবে পার করবেন, আমরা ধরে নেব — তাঁর মুখস্থশক্তি, উপস্থাপনার দক্ষতা ও কথা বলার কৌশল সবই ঠিক আছে। অর্থাৎ কল সেন্টারের কাজের ভিত্তিটা তাঁর আছে।
এরপর তিনি যাবেন অ্যাডভান্স গ্রুপে। সেখানে আমাদের প্রশ্নোত্তর গাইডের ৬৩৫টি প্রশ্ন ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে — সব ওষুধ, তাদের দাম ও কার্যকারিতা, রোগ, শরীরের সিস্টেম ও কল সেন্টারের নিয়ম।
মুখস্থ হয়ে গেলে ফাইনাল ইন্টারভিউ — সেখান থেকে যেকোনো ১০টি প্রশ্ন ধরে জিজ্ঞেস করা হবে। সেটা পার হলেই কল সেন্টারে নিয়োগ, ইনশাআল্লাহ।
মনে রাখবেন, শুধু মুখস্থ বলে যাওয়া নয়। কথাগুলো এমনভাবে বলতে হবে যেন সামনের মানুষটি বুঝতে পারেন এবং আগ্রহী হন। যিনি বুঝে বলেন, শ্রোতাও তাঁর কথা বোঝেন।
একটি কথা সবচেয়ে জরুরি — কখনো বাড়িয়ে বলবেন না, রোগ সারার নিশ্চয়তা দেবেন না। লেখায় যেমন আছে — "শিফা একমাত্র আল্লাহর হাতে, আমরা শুধু উপকরণ গ্রহণ করি।" এই সততাটুকুই আমাদের সবচেয়ে বড় পুঁজি।
| যা দেখা হয় | কী বোঝাতে চাই |
|---|---|
| তথ্যের নির্ভুলতা | লেখার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, সংখ্যা ও উদাহরণ ঠিকঠাক এসেছে কি না |
| উপস্থাপনার গোছ | শুরু–মাঝ–শেষ একটা সাজানো ক্রমে এগোচ্ছে কি না |
| কণ্ঠ ও উচ্চারণ | স্পষ্ট ও শোনার মতো আরামদায়ক কি না, গতি ঠিক আছে কি না |
| বোঝানোর ক্ষমতা | শুনে একজন সাধারণ মানুষ বুঝবেন ও আগ্রহী হবেন কি না |
| আত্মবিশ্বাস | আটকে গেলে সামলে নিতে পারছেন কি না, প্রশ্নের জবাব বুদ্ধিমত্তার সাথে দিচ্ছেন কি না |
প্রতি ধাপে আশা করি আগের ধাপের চেয়ে ভালো উপস্থাপনা। প্রথম ধাপে একটু জড়তা থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু চতুর্থ ধাপে এসে সেটা আর থাকা উচিত নয়। উন্নতিটাই আমরা সবচেয়ে বেশি খেয়াল করি।
অ্যাডভান্সড ক্লাসে যাঁরাই ঢুকবেন, আশা করা যায় প্রায় সবার জন্যই নিয়োগের সুযোগ থাকবে। তবে কেউ কেউ বাদ পড়তে পারেন। যেমন —
এমন ক্ষেত্রে আমরা খোলাখুলি বলব — কল সেন্টারের বদলে আপনি মার্কেটিং বা প্রতিনিধি হিসেবে ভালো করবেন।
কারণ কল সেন্টারের জন্য আমরা সেরা লোকটিকেই বাছাই করব।
কল সেন্টারে সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তিদেরই বাছাই করা হবে। কিন্তু যিনি সেই বাছাইয়ে টিকবেন না, তাঁর জন্যও তিনটি পথ খোলা থাকবে — এবং সেগুলোও ভালো আয়ের কাজ। অ্যাডভান্সড ট্রেনিংয়ে যাঁরা কষ্ট করে শিখবেন, তাঁদের প্রত্যেকের জন্যই কোনো না কোনো সুযোগ থাকবে, সাথে থাকবে উপহার।
সারা দেশে বিভিন্ন জায়গায় আমাদের নিজস্ব চেম্বার রয়েছে। কল সেন্টারে না হলে সেই চেম্বারগুলোতে মার্কেটিংয়ের কাজ করার সুযোগ পাবেন।
প্রতিনিধি মানে ডিলার। এটি চাকরি নয়, নিজের ব্যবসা।
পুরো সময় দিতে না পারলেও স্বল্প পরিসরে পার্ট টাইম প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করতে পারবেন।
তাই ট্রেনিংয়ে যোগ দিতে দ্বিধা করবেন না। কল সেন্টারে না হলে আমরা খোলাখুলি বলব আপনার জন্য কোন পথটি বেশি উপযুক্ত — শেখাটুকু সব পথেই কাজে লাগবে।
জ্বি, দুই ধাপে। প্রাথমিক ইন্টারভিউ শুধু লিভারটোনের চারটি ধাপের ওপর — সেখানে দেখা হয় আপনার কথা বলার ধরন, উচ্চারণ, উপস্থাপনার গোছ ও আত্মবিশ্বাস। এটি পার হলে আপনি অ্যাডভান্স গ্রুপে যাবেন, আর তখন প্রশ্নোত্তর গাইডের ৬৩৫টি প্রশ্ন মুখস্থ করতে হবে। তারপর ফাইনাল ইন্টারভিউ — সেখান থেকে যেকোনো ১০টি প্রশ্ন হুবহু জিজ্ঞেস করা হবে। সেটি পার হলেই কল সেন্টারে নিয়োগ, ইনশাআল্লাহ।
না। এখন শুধু লিভারটোনের চারটি ধাপ ভালোভাবে আয়ত্ত করুন — প্রাথমিক ইন্টারভিউ ওটার ওপরেই। প্রশ্নোত্তর গাইডটি অ্যাডভান্স গ্রুপের জন্য; চাইলে আগে থেকে দেখে রাখতে পারেন, তবে আগে ধাপ ১–৪ শেষ করুন। একসাথে সব পড়লে গুলিয়ে যায়।
হবে। আমরা অভিজ্ঞতা নয়, কথা বলার ধরন ও শেখার আগ্রহ দেখি। অ্যাপ, সফটওয়্যার ও ওষুধ সম্পর্কে সবকিছু আমাদের পক্ষ থেকে শিখিয়ে দেওয়া হবে।
না। স্মার্টফোনে দেখে দেখে টাইপ করতে পারা আর সুন্দরভাবে কথা বলতে পারাটাই মূল যোগ্যতা।
যোগ্যতা, দায়িত্ব, ইন্টারভিউ পদ্ধতি এবং বাসায় বসে কাজের বেতন — সবই এক। পার্থক্য দুটি: অফিসে এসে কাজ করতে পারবেন শুধু পুরুষরা, আর মহিলাদের ট্রেনিং ও ইন্টারভিউ একজন মহিলা প্রশিক্ষক পরিচালনা করবেন।
না। রিসিপশনেই কল আলাদা হয়ে যায় — মহিলা রোগীর নম্বরই কেবল সফটওয়্যারের মাধ্যমে মহিলা কল সেন্টারে পাঠানো হবে।
একটি স্মার্টফোন, ইন্টারনেট সংযোগ এবং কথা বলার মতো শান্ত একটি জায়গা। কাজের নির্ধারিত সময়ে ফোন ধরার মতো অবস্থায় থাকতে হবে।
বাসায় বসে কাজের ক্ষেত্রে দেশের যেকোনো জায়গা থেকেই করা যাবে। অফিসে এসে কাজের ক্ষেত্রে ১২ ও ১০ ঘণ্টার কর্মীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা আমাদের পক্ষ থেকেই থাকছে।
চারটি ধাপের লেখা আয়ত্ত করে নিজের কণ্ঠে রেকর্ড করে আমাদের ইন্টারভিউ বটে পাঠাবেন। পরিচালকরা শুনে প্রাথমিক ধাপ ফাইনাল করবেন, ফল টেলিগ্রাম গ্রুপে জানানো হবে। নির্দিষ্ট সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই — প্রস্তুত হয়ে যখন খুশি পাঠাতে পারবেন।
শুধু অ্যাক্টিভ থাকতে হবে। গ্রুপে মেসেজ করা নিষেধ — সেখানে শুধু অনলাইন মিটিংয়ের সময় ও নির্বাচিতদের তালিকা ঘোষণা করা হয়। প্রশ্ন থাকলে মিটিংয়ের মধ্যেই করবেন।
হ্যাঁ, চারটি ধাপই খোলা আছে — যে কেউ পড়তে ও শিখতে পারবেন। তবে পরামর্শ থাকবে ক্রম মেনে এগোনোর: আগে ধাপ ১ ভালোভাবে আয়ত্ত করুন, তারপর ধাপ ২। একসাথে সব পড়ে ফেললে গুলিয়ে যায়, আর উপস্থাপনার সময় সেটা ধরা পড়ে।
এটি আপনার প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে। একটি ধাপ সন্তোষজনক হলেই পরের অংশ দেওয়া হয়। তাড়াহুড়ার চেয়ে ভালোভাবে আয়ত্ত করাই বেশি জরুরি।
না। প্রস্তুতি নিয়ে আবার উপস্থাপন করার সুযোগ থাকবে। আমরা দেখি আপনি উন্নতি করছেন কি না।
তিনটি পথ খোলা থাকবে — মার্কেটিং (আমাদের চেম্বারে কাজ, বেতন ১৫,০০০–২০,০০০ টাকা), প্রতিনিধি বা ডিলার (নিজের থানা/জেলা নিয়ে কাজ, নিজেই চেম্বার দেওয়ার সুযোগ), অথবা পার্ট টাইম প্রতিনিধি। বিস্তারিত দেখুন →
আবেদনের জন্য আলাদা ফর্ম নেই — উপরে নিজের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হয়ে অ্যাক্টিভ থাকুন। মিটিংয়ের সময় সেখানেই জানানো হবে, আর প্রাথমিক ইন্টারভিউর অডিও পাঠাবেন ইন্টারভিউ বটে।
💬 গ্রুপ ও বটের লিংক দেখুনপ্রয়োজনে ফোন করুন — ০১৮২৮-১৪৯০৩২