হাকীম মাওলানা আশরাফ আলীহাকীম মাওলানা আশরাফ আলী 📞 ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২

শরবত আলিউবসর — ঐতিহ্যবাহী ইউনানি শরবত

🥤 শরবত (তরল ঔষধ)📜 ইউনানি ফর্মুলা

লিভার, হজমতন্ত্র ও রক্ত পরিশুদ্ধিতে সহায়ক ঐতিহ্যবাহী ইউনানি শরবত — জেনে নিন উপাদান, উপকারিতা ও সঠিক সেবনবিধি।

শরবত আলিউবসর ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্রের একটি ঐতিহ্যবাহী তরল ফর্মুলা, যা বহু প্রজন্ম ধরে দেহের অভ্যন্তরীণ পরিশুদ্ধি ও হজমতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইউনানি ফর্মুলারি ও প্রামাণ্য কারাবাদিন গ্রন্থের ধারা অনুসরণ করে এই শরবত তৈরিতে উলুবসর, সোনামুখী, উনাব, বেহিদানা, গাওজবানসহ একাধিক প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান একত্রে মিশিয়ে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে জ্বাল দিয়ে কিওয়াম প্রস্তুত করা হয়, যা পরে চিনি বা মধুর সাথে মিশিয়ে শরবতের রূপ দেওয়া হয়।

\n

হাকীম মাওলানা আশরাফ আলী-র দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্যবাহী রেসিপির ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত এই শরবত সাধারণভাবে লিভার ও প্লীহার স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা, হজমশক্তি চাঙ্গা করা এবং রক্ত পরিষ্কার রাখতে ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো আধুনিক ওষুধের বিকল্প নয়, বরং শতাব্দীপ্রাচীন ইউনানি চিকিৎসাপদ্ধতির একটি স্বীকৃত সহায়ক উপাদান হিসেবে বিবেচিত।

প্রধান উপাদান

কোন কোন রোগে উপকারী

ঐতিহ্যবাহী ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী শরবত আলিউবসর মূলত লিভার ও প্লীহাজনিত সমস্যা, দীর্ঘমেয়াদী বদহজম, গ্যাস-অম্বল, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং রক্তদূষণজনিত ত্বকের সমস্যায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যাদের লিভারের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে ক্ষুধামন্দা, মুখে তিক্ততা বা পেটে ভারী ভাব অনুভূত হয়, তাদের ক্ষেত্রে এই শরবত ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে।

সাধারণ দুর্বলতা ও রক্তস্বল্পতাজনিত সমস্যা

দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর শরীরে দুর্বলতা, রক্তস্বল্পতা বা রক্ত দূষিত থাকার কারণে সৃষ্ট ফোঁড়া-ফুস্কুড়ি, চর্মরোগ প্রভৃতিতেও এটি সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া জ্বরের পর দুর্বল শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনতে এই শরবত ঐতিহ্যগতভাবে দেওয়া হয়।

বিঃদ্রঃ এটি কোনো নির্দিষ্ট রোগের নিরাময়কারী ঔষধ নয় বরং সহায়ক ভেষজ ফর্মুলা। জটিল বা দীর্ঘস্থায়ী রোগের ক্ষেত্রে অবশ্যই যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কীভাবে কাজ করে

ইউনানি চিকিৎসাতত্ত্ব অনুযায়ী শরবত আলিউবসরের উপাদানগুলো একত্রে কাজ করে দেহের আখলাত (হিউমার) বা রস-ভারসাম্য পুনঃস্থাপন করতে সহায়তা করে। উলুবসর ও মকোর মতো উপাদান রক্তকে পরিশুদ্ধ করার ধর্ম রাখে বলে ঐতিহ্যগতভাবে বিবেচিত হয়, যা রক্তদূষণজনিত সমস্যা কমাতে সহায়ক বলে মনে করা হয়।

হজম ও লিভার-সহায়ক ক্রিয়া

তুখম-এ-কাসনী ও রেওয়ান্দ চিনি লিভারের কার্যক্রম চাঙ্গা রাখতে এবং পিত্তরস নিঃসরণে সহায়তা করে বলে ইউনানি গ্রন্থে উল্লেখ আছে, ফলে হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে। সোনামুখী মৃদুভাবে অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়ক।

উনাব, বেহিদানা ও সপিস্তার মতো উপাদান শীতল ও কফনিঃসারক ধর্ম রাখে, যা শরীরের অতিরিক্ত তাপ প্রশমিত করে সামগ্রিক আরাম দিতে সহায়ক বলে ঐতিহ্যগতভাবে বিবেচিত হয়। সবগুলো উপাদান একত্রে জ্বাল দিয়ে কিওয়াম তৈরির ফলে এদের গুণাগুণ শরবতের মধ্যে সমন্বিত হয়।

সেবনবিধি ও মাত্রা

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণত ১৫–২৫ মিলি (২–৩ টেবিল চামচ) শরবত সমপরিমাণ স্বাভাবিক বা ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে দিনে ১–২ বার সেবনের প্রচলন রয়েছে, প্রধানত সকালে ও সন্ধ্যায় খাবারের পর। এটি একটানা দীর্ঘমেয়াদে সেবনের পরিবর্তে সাধারণত ২১–৩০ দিনের কোর্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

বিশেষ শ্রেণির জন্য নির্দেশনা

শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ডোজ কম রাখা হয় এবং তা সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসকের পরামর্শের উপর নির্ভরশীল। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে চিনিযুক্ত শরবত হওয়ায় বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন — প্রয়োজনে সুগার-ফ্রি সংস্করণ বা বিকল্প ফর্মুলার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য নিয়মিত সময়ে সেবন করা উচিত এবং ব্যক্তিভেদে শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী মাত্রা সামঞ্জস্য করতে ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ হটলাইনে যোগাযোগ করে অভিজ্ঞ হাকীমের পরামর্শ নেওয়া সর্বোত্তম।

সতর্কতা ও সংরক্ষণ

গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে এই শরবত সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক, কারণ কিছু উপাদান জরায়ু-সংকোচনজনিত প্রভাব রাখতে পারে বলে ঐতিহ্যগত সাহিত্যে উল্লেখ আছে। ডায়াবেটিস রোগীদেরও চিনির উপস্থিতির কারণে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।

সংরক্ষণ পদ্ধতি

শিশি খোলার আগে ঠান্ডা, শুষ্ক ও সরাসরি সূর্যালোকমুক্ত স্থানে সংরক্ষণ করুন। খোলার পর ঢাকনা ভালোভাবে বন্ধ রেখে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উত্তম এবং যথাসম্ভব দ্রুত ব্যবহার করে ফেলা উচিত যাতে গুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।

মোড়কের গায়ে উল্লেখিত মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের পর ব্যবহার করবেন না এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। কোনো প্রকার অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া (যেমন অতিরিক্ত পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব বা এলার্জি) দেখা দিলে সাথে সাথে সেবন বন্ধ করে নিকটস্থ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। এই কনটেন্ট শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়।

প্রায়শই জিজ্ঞাসা

শরবত আলিউবসর কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
ঐতিহ্যবাহী ইউনানি চিকিৎসা মতে শরবত আলিউবসর সাধারণত হজমশক্তি বৃদ্ধি, লিভার ও প্লীহার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা, রক্ত পরিষ্কার রাখা এবং শরীরের সাধারণ দুর্বলতা দূর করতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি কোনো নির্দিষ্ট রোগের চিকিৎসা নয়, বরং সামগ্রিক সুস্থতা রক্ষায় সহায়ক একটি ঐতিহ্যবাহী ফর্মুলা।
শরবত আলিউবসর কীভাবে খেতে হয়?
সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ১৫–২৫ মিলি (২–৩ টেবিল চামচ) পরিমাণ সমপরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে দিনে ১–২ বার, প্রধানত খাবারের পরে সেবনের প্রচলন আছে। তবে ব্যক্তিভেদে ডোজ ভিন্ন হতে পারে, তাই একজন হাকীম বা ইউনানি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করাই উত্তম।
গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে শরবত আলিউবসর খাওয়া যাবে কি?
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে যেকোনো ভেষজ বা ইউনানি ঔষধ সেবনের আগে অভিজ্ঞ হাকীম বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেবন না করাই নিরাপদ।
শরবত আলিউবসর খেলে কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে?
সাধারণত নির্দেশিত মাত্রায় সেবন করলে এটি নিরাপদ বলে বিবেচিত, তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন কারণ শরবতে চিনি/মধু ব্যবহৃত হয়। কারো কারো ক্ষেত্রে সামান্য পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হতে পারে, এমন হলে সেবন বন্ধ রেখে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
শরবত আলিউবসর কতদিন সংরক্ষণ করা যায়?
শিশি খোলার আগে শুকনো, ঠান্ডা ও আলো-নিরাপদ স্থানে রাখলে সাধারণত মোড়কের গায়ে উল্লেখিত মেয়াদ পর্যন্ত ভালো থাকে। খোলার পর ফ্রিজে রেখে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবহার করা উচিত এবং লেবেলে দেওয়া মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ মেনে চলা জরুরি।
শিশু বা বয়স্কদের জন্য কি এই শরবত উপযোগী?
শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ডোজ প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় কম রাখা হয় এবং তা সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসকের নির্দেশনার উপর নির্ভরশীল। তাই এই বয়সসীমার জন্য ব্যবহারের আগে অবশ্যই হটলাইনে (০৯৬৬৬৭৯২৪৯২) যোগাযোগ করে অভিজ্ঞ হাকীমের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

পরামর্শ নিন

শরবত আলিউবসর বা এ ধরনের ইউনানি ফর্মুলা সম্পর্কে জানতে ও সঠিক পণ্য বেছে নিতে এখনই কল করুন হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ নম্বরে।

⚠️ দ্রষ্টব্য: এই পেজের তথ্য সচেতনতামূলক ও ঐতিহ্যবাহী ইউনানি ফর্মুলা-জ্ঞানভিত্তিক। উপাদান ও মাত্রা প্রস্তুতকারক ও গ্রন্থভেদে সামান্য ভিন্ন হতে পারে। এটি রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়; সেবনের আগে অভিজ্ঞ হাকীম বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ফলাফল ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

অর্ডার করার নিয়ম

আমাদের ওয়েবসাইটে কোনো অর্ডার ফর্ম বা কল রিকোয়েস্ট নেই — শুধুমাত্র রিসেপশন হটলাইনে কল করে অর্ডার করুন।

  1. রিসেপশনে কল করুনঅর্ডার বা পরামর্শের জন্য আমাদের হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ নম্বরে কল করুন।
  2. সহকারী হাকিম নির্ধারণরিসেপশন থেকে আপনার সাথে কথা বলার জন্য একজন সহকারী হাকিমকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
  3. পরামর্শ ও অর্ডারসহকারী হাকিমের সাথে বিস্তারিত কথা বলে পরামর্শ নিয়ে অর্ডার চূড়ান্ত করবেন।
  4. হটলাইন থেকে কনফার্ম০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ থেকে কল ও মেসেজ দিয়ে আপনার অর্ডার কনফার্ম করা হবে।

⚠ হটলাইন ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২ থেকে কল ও মেসেজ না এলে অর্ডারটি ভুয়া। সারাদেশে আমাদের বহু ডিলার ও চেম্বার — যেখান থেকেই অর্ডার করুন, কনফার্ম আসে একমাত্র হটলাইন থেকেই।

📞 রিসেপশন হটলাইনে কল করুন — ০৯৬৬৬৭৯২৪৯২